নয়াদিল্লি: পেনশন গ্রাহকদের জন্যে স্বস্তির খবর দিল মোদী সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বুধবার বলেন যে, করোনার মহামারী মাথায় রেখে সরকার অস্থায়ী পেনশনের (Provisional Pension) সময়সীমা বাড়িয়ে এক বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডিপার্টমেন্ট অফ পেনশন এন্ড পেনশনার্স ওয়েলফওয়ার (Department of Pension & Pensioners’ Welfare) এবং ডিপার্টমেন্ট অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্মস এন্ড পাবলিক গ্রিভিয়েন্স (Department of Administrative Reforms and Public Grievances)-এর আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানান, অস্থায়ী পারিবারিক পেনশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে।

বিবৃতিতে সিং বুধবার বলেছেন যে, কোভিড -১৯ মহামারীর পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার অবসর গ্রহণের তারিখ থেকে এক বছরের মধ্যে অস্থায়ী পেনশন প্রদানের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে । তিনি বলেন যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারী অবসর গ্রহণের পরে মারা যান এবং তারা পেনশন সম্পর্কিত নথি জমা দিতে পারেন না। পারিবারিক পেনশনের ক্ষেত্রে মন্ত্রী জানান, যোগ্য পরিবারের সদস্যরা মৃত্যু শংসাপত্র এবং আবেদন জমা দেওয়ার পরেই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পেনশন চালু করতে হবে। যাতে করোনা পরিস্থিতিতে সরকারী কর্মচারীদের পরিবারকে কোনও ধরণের সমস্যায় পড়তে না হয়।এই কঠিন সময়ে এই সমস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানো দরকার।

করা এই সুবিধা পাবেন –

জাতীয় পেনশন স্কিমের (National Pension Scheme) আওতায় সকলেই এই সুবিধা পাবে। চাকরি চলাকালীন কোনো কারণে শারীরিক অক্ষম হয়ে পড়েন এবং তারপরেও চাকরি বজায় রাখেন তবে তিনি এই সুবিধা পাবেন। এটি একধরণের Disability pension হিসাবে পরিগণিত হবে।

এছাড়া, যদি পিপিও (Pension Payment Order) কোনও ক্ষেত্রে জারি করা হয়েছে কিন্তু অতিমারীর কারণে সেন্টারল অ্যাকাউন্টিং অফিস (CPAO) বা ব্যাঙ্কে যদি না পৌঁছায় সেক্ষত্রে কন্ট্রোল জেনারেল অফ অ্যাকাউন্টসের তরফ থেকে তা পূরণ করা হবে। CGA ব্যাঙ্ককে একটি নির্দেশিকা দেবে। সমস্ত যোগাযোগ ডিজিটাল মোডে করা হবে।

লাইফ সাটিফিকেটের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা

ডিপার্টমেন্ট অফ পেনশন এন্ড পেনশনার্স ওয়েলফওয়ার সমস্ত পেনশন বিতরণকারী ব্যাঙ্কগুলিকে এই মুহুর্তে ভিডিও-ভিত্তিক গ্রাহক সনাক্তকরণ প্রক্রিয়া (V-CIP) গ্রহণ করতে বলেছে। এর মাধ্যমে ব্যাঙ্কগুলি সহজেই একটি জীবন শংসাপত্র পাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.