নয়াদিল্লি: করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মোদী সরকার ব্যর্থ বলে বারবার আক্রমণ শানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এবার সম্প্রতি পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যু ও তার ক্ষতিপূরণ সম্পর্কে কেন্দ্রের জবাবের প্রেক্ষিতে সোচ্চার হলেন রাহুল।

রাহুল টুইট করে জানিয়েছেন, মোদী সরকার জানেই না লকডাউনে কতজন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। কতজন কাজ হারিয়েছে। আপনি গণনা করেননি বলে কেউ মারা যাননি? এরই রেশ টেনে রাহুল জানিয়েছেন, দুঃখের বিষয় হল এই সরকারের কাছে মানুষের মৃত্যু গুরুত্ব পায় না। গোটা বিশ্ব দেখেছে পরিযায়ী শ্রমিকরা মারা যাচ্ছে অথচ মোদি সরকারের কাছে কোন খবর নেই।

সোমবার বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছে। সেখানেই প্রশ্ন রাখা হয়েছিল, কত জন পরিযায়ী প্রাণ হারিয়েছেন এই লকডাউনে এবং তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কোনও ব্যবস্থা কি কেন্দ্র করছে। লিখিত জবাবে কেন্দ্রীয় শ্রম এবং কর্মসংস্থান মন্ত্রক জানিয়েছে, কত জন মারা গিয়েছেন সেই পরিসংখ্যান নেই। সেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। পাশাপাশি জানিয়েছে, এই লকডাউনে কত জন দেশে কাজ হারিয়েছেন, তার খতিয়ানও রাখা হয়নি।

তবে কেন্দ্রীয় সরকারে এভাবে কাজ হারানো মৃত্যু সংক্রান্ত কোন তথ্য দিতে না পারায় বিরোধী নেতৃত্তের পাশাপাশি শরিক দলগুলিও বিস্ময় প্রকাশ করে।

এর আগে যখন লকডাউন চলাকালীন রেল লাইন দিয়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে ট্রেনের ধাক্কায় পরিযায়ী শ্রমিকদের মৃত্যু হয়েছিল এবং স্পেশাল ট্রেন চালিয়ে শ্রমিকদের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়ার বিরোধিতা করে সরব হতে দেখা গিয়েছিল রাহুল গান্ধীকে। তাছাড়া রাহুল এই সময় টুইটারে লিখেছিলেন ,” নিজেদের জীবন নিজেরাই বাঁচান কারণ প্রধানমন্ত্রী ময়ূর নিয়ে ব্যস্ত।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।