কলকাতা: শহরে যাত্রীদের জন্য সুখবর৷ এবার থেকে একটি পাসেই সারাদিন বাস-ট্রাম-ফেরিতে চলাফেরা করা যাবে৷ এমনটাই জানিয়েছে রাজ্যের পরিবহন দফতর৷ রাজ্য পরিবহন নিগম ‘সিটি ট্রাভেল পাস’ চালু করেছে। এই বিশেষ পাসের দাম ১০০ টাকা৷

আজ ২১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার থেকে এই ব্যবস্থা চালু হচ্ছে কলকাতায়৷ বাস, ট্রামের কন্ডাক্টর ও বিভিন্ন ডিপোতে এইপাস পাওয়া যাবে৷ ফেরির টিকিট কাউন্টার থেকে কেনা যাবে এই পাস।

এছাড়া বিমানবন্দর, হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশনেও এই পাস পাওয়া যাবে। পাশাপাশি ডব্লিউবিটিসি-র ওয়েবসাইট থেকেও এই পাস বুক করা যাবে৷ এমনটাই পরিবহন দফতর সূত্রে খবর৷ এই পাসের মাধ্যমে রাজ্য পরিবহন নিগম এর যে কোনও বাসে চড়া যাবে।চড়া যাবে ভেসেলে।

এছাড়া সমস্ত ধরণের ট্রাম ও ভেসেলে উঠা যাবে।এর জন্য একটি গাইড ম্যাপও তৈরি করা হচ্ছে। যদিও আগেই বাস, ট্রাম ও ফেরির নিত্যযাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবে স্মার্ট কার্ড চালু করেছিল পরিবহন নিগম৷

প্রায় ৩০ হাজার যাত্রী এই পরিষেবার সুবিধা পান৷ তবে এতদিন স্মার্ট কার্ড রিচার্জের জন্য নিগমের নির্দিষ্ট করা ৩০টি পয়েন্ট অফ সেলস কাউন্টারে যেতে হত যাত্রীদের৷ এবার ঘরে বসেই যাত্রীরা স্মার্ট কার্ড রিচার্জ করতে পারবেন৷

স্মার্টকার্ড রিচার্জের জন্য যাত্রীদের প্রথমে www.online.wbtc.co.in পোর্টালে যেতে হবে৷ সেখানে গিয়ে স্মার্টকার্ড ব্যবহারকারীদের মোবাইল নম্বর বা রিচার্জ কার্জটির নম্বর দিতে হবে৷

এরপর কত টাকার রিচার্জ করতে চান সেই অপশনে ক্লিক করতে হবে৷ সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৫০০ টাকা অবধি রিচার্জ করা যাবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।