নয়াদিল্লি: কেন্দ্র খাদ্যশস্য এবং চিনির ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক ভাবে চটের বস্তা ব্যবহারের সময়সীমা বাড়াল। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার আর্থিক বিষয়ক কমিটি তা অনুমোদন করেছে। ওই বৈঠকের পর বস্ত্র মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি এবং তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, পাটচাষি এবং চটকলের শ্রমিকরা উপকৃত হবেন এই চটের বস্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ফলে । এদিকে রাজনৈতিক মহলের অভিমত, এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়েই বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

স্মৃতি ইরানি দাবি করেছেন, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের ফলে চট শিল্পের সঙ্গে জড়িত ৩.৭ লক্ষ শ্রমিক এবং ৪০ লক্ষ পাট চাষী উপকৃত হবেন। আর সে কথা বলতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের পাট চাষীদের প্রসঙ্গ টেনেছেন। প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় এই সিদ্ধান্তের ফলে উপকৃত হবেন পশ্চিমবঙ্গ বিহার ওড়িশা অসম অন্ধপ্রদেশ মেঘালয় ত্রিপুরার পাট চাষিরা ।

চটের বস্তা কেনার জন্য কেন্দ্র ৭৫০০ কোটি টাকার বেশি খরচ করে থাকে। কাঁচা পাটের গুণগত মান এবং উৎপাদন বাড়াতে কেন্দ্র এবং রাজ্য মিলে বিশেষ প্রকল্প চালু করেছে। কেন্দ্রের আশা এর ফলে পাট চাষীদের হেক্টর পিছু আয় বাড়বে।

এই আইন অনুসারে যেকোনো খাদ্যশস্যের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ এবং চিনির ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ চটের বস্তা ব্যবহার বাধ্যতামূলক। এর ফলে আগামী জুন মাস পর্যন্ত চিনি এবং খাদ্য শস্যের ক্ষেত্রে চটের বস্তা ব্যবহারের এই নিয়ম চালু থাকবে।কেন্দ্রীয় এই সিদ্ধান্তে খুশি চট শিল্পমহল।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।