নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে করোনার দ্বিতীয় পর্বের টিকাকরণ অভিযানে গতি আনতে এবার আরও বেশি তৎপরতা কেন্দ্রীয় সরকারের। টিকাকরণের জন্য আরও বেশি বেসরকারি হাসপাতালকে যুক্ত করছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে সরকারি হাসপাতালগুলির পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালেও এবার পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাক্সিন মজুত রাখা হবে। সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেই যাতে বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও ১০০ শতাংশ ভ্যাক্সিন মজুত রাখা যায় সেব্যাপারে তৎপরতা নেওয়া হচ্ছে।

দেশজুড়ে করোনার দ্বিতীয় পর্বের টিকাকরণ অভিযান শুরু হয়েছে গত সোমবার থেকে। টিকাকরণের এই পর্বের ষাটোর্ধ্ব প্রবীণ নাগরিক ও ৪৫ বছরের উপরে যাঁদের কোমর্বিডিটি রয়েছে তাঁদেরই টিকা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও স্বাস্থ্যকর্মী ও নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরাও যাঁরা প্রথম পর্বে টিকা নেননি তাঁরা টিকা নিচ্ছেন। দেশজুড়ে করোনার দ্বিতীয় পর্বের টিকাকরণ অভিযানে গতি আনতে তৎপর কেন্দ্রীয় সরকার।

সেই কারণেই এবার বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা মজুত রাখার চেষ্টা স্বাস্থ্যমন্ত্রকের। ইতিমধ্যেই প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসনের সঙ্গে একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। বেসরকারি হাসপাতালগুলিতেও যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাক্সিন মজুত রাখা যায় সেব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।

রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে ওই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ ও অন্য কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকরা। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য প্রকল্পের (সিজিএইচএস) আওতাভুক্ত সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালে, যেখানে সব সরকারি স্বাস্থ্য সুবিধা, আয়ুষ্মান ভারত-প্রধানমন্ত্রীর জনযোগ যোজনা (এবি-পিএম জেএআই) এবং একইভাবে রাজ্য স্বাস্থ্য বীমা প্রকল্পের সুবিধা মেলে সেই হাসপাতালগুলি কোভিড ভ্যাকসিনেশন সেন্টার (সিভিসি) হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে এক্ষেত্রে ওই বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।

করোনার দ্বিতীয় পর্বের টিকাকরণ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির সঙ্গে বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালেও যাতে মসৃণ গতিতে টিকাকরণ চলতে পারে সেব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে রাজ্যগুলিকে। দেশজুড়ে করোনার দ্বিতীয় পর্বের টিকাকরণ অভিযানে বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির সর্বোত্তম সক্ষমতাকে কাজে লাগাতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। এটা হলে টিকাকরণের কাজে আরও গতি আসবে এবং তা মসৃণ হবে বলে মনে করছে কেন্দ্র।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.