নয়াদিল্লি: শনিবার দ্বিতীয় মোদী সরকারের দ্বিতীয় বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। ফি বারের মতো এবারও আর্থিক বাজেটের উপরে দেশবাসীর নজর ছিল। কারণ জিডিপি থেকে শুরু করে বেকারত্ব সহ একাধিক সমস্যায় জর্জরিত মোদী সরকারের কাছে এই বাজেট ছিল সেরা হাতিয়ার। আর শনিবার বাজেট পেশ করার সময়ে কৃষিক্ষেত্র, শিল্প, স্বাস্থ্যের পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রেও বিপুল আর্থিক বরাদ্দ কেন্দ্রের। শিক্ষাক্ষেত্রে ৯৯,৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করার ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। এরই পাশাপাশি ৩০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হল দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে।

এবারের বাজেটে গ্রামীণ অর্থনীতির উপরে জোর দেওয়ার পাশাপাশি নির্মলা সীতারমনের নজর ছিল শিক্ষাক্ষেত্রেও। পড়াশোনার ক্ষেত্রে সার্বিক বিকাশের লক্ষ্যে বাজেটে একাধিক সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রে বিদেশী বিনিয়োগের (fdi)উপরে জোর দিয়েছেন। যার জেরে ভবিষ্যতে পড়ুয়ারা বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা,গবেষণা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সুবিধা পেতে পারে।

কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, দ্রুত কেন্দ্রীয় সরকার পড়ুয়াদের জন্য নতুন শিক্ষানীতি আনতে চলেছে। পাশাপাশি অনলাইন এডুকেশন প্রোগ্রামের উপরেও জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। এবারের বাজেটে আয়কর-সহ, পরিকাঠামো, তফসিলি জাতি-উপজাতিদের জন্য একাধিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন-সহ বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হয়েছে।

ডিজিটাল ভারত গড়ার দিকেও বিশেষ নজর মোদী সরকারের। আর সেই কারণে দেশের মাটিতে স্মার্টফোন শিল্পের উৎপাদনে আরও উৎসাহ দিতে বাজেটে বড়সড় প্রস্তাব রেখেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।

ডিজিটাল ভারত গড়ার লক্ষ্যে কেন্দ্রের প্রকল্পের ফলে দেশে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস তৈরির শিল্প আরও চাঙ্গা হবে বলে মত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর। কেন্দ্র দেশীয় শিল্পসংস্থাগুলিকে নানা সুবিধা দেওয়ার মাধ্যমে উৎসাহ জোগাবে বলে জানিয়েছেন নির্মলা। দেশীয় প্রযুক্তির শিল্পের উন্নয়নে কেন্দ্রের নেওয়া নতুন-নতুন প্রকল্পের জেরে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস উৎপাদন শিল্প আরও মজবুত হবে বলে দাবি কেন্দ্রের। একইসঙ্গে কেন্দ্রের নেওয়া পদক্ষেপে দেশীয় শিল্পে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে বলেও আশাবাদী কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।