কলকাতা: আবারও রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতে চরমে। এবার রাজ্য সরকারকে এড়িয়ে উচ্চশিক্ষার পদে নিয়োগ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপচার্য ( প্রশাসনিক ও শিক্ষা) পদে অধ্যাপক গৌতম চন্দ্রকে নিয়োগ করেছেন ধনখড়।

বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনাই করেননি রাজ্যপাল, এমনই দাবি শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্ত মানা হবে না বলে জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ শিক্ষামন্ত্রী।

বাংলায় রাজ্যপালের দায়িত্ব নিয়ে আসা ইস্তক রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক ইস্যুতে সংঘাতে জড়িয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। কখনও স্বাস্থ্য, কখনও শিক্ষা নিয়ে রাজ্যের কড়া সমালোচনা করেছেন ধনখড়।

সাম্প্রতিক সময়ে করোনা নিয়েও রাজ্যকে কাঠগড়ায় তুলে একের এক তোপ দেগেছেন রাজ্যপাল। এবার রাজ্যের সঙ্গে কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় নিয়োগ করেছেন জগদীপ ধনখড়।

সোমবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপচার্য ( প্রশাসনিক ও শিক্ষা) পদে অধ্যাপক গৌতম চন্দ্রকে নিয়োগ করেছেন আচার্য তথা রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এই নিয়োগের প্রেক্ষিতে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ‘রাজ্যপাল বিজেপির প্রতিনিধিকে সহ উপচার্য পদে নিয়োগ করেছেন। সরকার এই সিদ্ধান্ত মানবে না।’

এদিকে, শিক্ষামন্ত্রীর দাবি উড়িয়েছেন রাজ্যপাল। জগদীপ ধনখডের পাল্টা দাবি, ‘যা করেছি, আইন মেনেই করেছি। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনের ৯ নম্বর ধারার এক নম্বর উপধারার আইন মেনে অধ্যাপক গৌতম চন্দ্রকে সহ উপচার্য ( প্রশাসনিক ও শিক্ষা) পদে নিয়োগ করা হয়েছে।’

করোনার সংক্রমণ রাজ্যে ছড়িয়ে পড়া ইস্যুতে এর আগে একাধিকবার রাজ্য সরকারের সমালোচনা করেছেন রাজ্যপাল। তা নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে ঠান্ডাযুদ্ধ চলছিল প্রশাসনের। এবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজ্যকে এড়িয়ে রাজ্যপালের সহ উপাচার্য নিয়োগ ইস্যু ঘিরে সেই সংঘাত যে আরও বাড়ল তা বলাই বাহুল্য।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা