কলকাতা: রাজ্যবাসীকে বিজয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বিজয়া দশমীর পুণ্য লগ্নে অসুভ শক্তির বিনাশের প্রার্থনা ধনকড়ের। টুইটে তিনি লেখেন, ‘‘প্রথমসেবক হিসেবে রাজ্যবাসীকে শুভ বিজয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই। আসুরিক শক্তির বিনাশ হোক, বাংলা নবশক্তির উন্মেষবিন্দু হিসাবে প্রতিষ্ঠা পাক।’’

এবছরের মতো শেষ বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। মাকে ঘিরে এত আয়োজনের শেষ লগ্নে এসে তাই এখন শুধুই মন খারাপের পালা। তবুও বিষাদের মধ্যেই মাকে হাসি মুখে বিদায় জানাতে প্রস্তুত আম বাঙালি। সোমবার সকাল থেকেই শুরু হয় বিজয়ার তোড়জোড়।

গঙ্গার ঘাটগুলিতে কড়া নিরাপত্তা। এদিন বিশেষ করে বাড়ির পুজোগুলির বিসর্জন হয়। তবে বেশ কিছু বারোয়ারী পুজোরও প্রতিমার বিসর্জন দেওয়া হয়। সোমবার দশমীতে কলকাতার ২৪টি ঘাট নির্দিষ্ট করা হয়েছে প্রতিমা বিসর্জনের জন্য। এদিন প্রায় আঠারোশো প্রতিমা বিসর্জন হওয়ার কথা।

ইতিমধ্যেই বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু হয়েছে। চলছে মিষ্টিমুখ-কোলাকুলি। আজ ঘরে ফিরবেন উমা। বিষাদের সুর বাংলাজুড়ে। আবার এক বছরের অপেক্ষা। সোমবার রাজ্যবাসীকে বিজয়ার প্রীতি, শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বিজয়া দশমীর এই লগ্নে সব অসুভ শক্তির বিনাস চেয়ে প্রার্থনা ধনকড়ের।

এদিন টুইটে জগদীপ ধনকড় লিখেছেন, ‘‘প্রথমসেবক হিসেবে রাজ্যবাসীকে শুভ বিজয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই। আসুরিক শক্তির বিনাশ হোক, বাংলা নবশক্তির উন্মেষবিন্দু হিসাবে প্রতিষ্ঠা পাক। মিথ্যাচার থেকে সত্যের পথ, ক্ষমতাপিপাসা থেকে সেবা, অনাচার থেকে সদাচার, অন্ধ মোহ থেকে মুক্তির পথে মা দুর্গা বাংলাকে নিয়ে যান, এই কামনা করি।’’

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।