নয়াদিল্লি: যাতে ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগীরা সহজে ব্যবসা করতে পারে তার জন্য সরকার স্টেট ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করছে । এর ফলে শীঘ্রই ই-কমার্স পোর্টাল খোলা হবে যা দেশের ভিতরে ও বাইরে ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগীদের পণ্য কেনা বেচায় সহায়তা করবে।

যা অনেকটা অ্যামাজন আলিবাবার মত সমতুল্য প্ল্যাটফর্ম হবে। অল ইন্ডিয়া অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডাস্ট্রিজ আয়োজিত ওয়েব মিনারে এ কথা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগমন্ত্রী নীতিন গড়করি।

২০১৯ সালে এই ভারত ক্রাফট নামক ই-কমার্স পোর্টাল করার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তারপর থেকে এই বিষয়ে কাজ চলছে। নীতিন গড়করি বলেছেন,”ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগকে‌ বিপণন সহায়তা করতে আমরা আলিবাবা আমাজনের মত ই-পোর্টাল তৈরি করছি। এটা বিশ্ববাজারের লাইফ গেটওয় হয়ে যাচ্ছে ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগীদের পণ্যের জন্য। স্টেট ব্যাংকের সঙ্গে আমরা এই ব্যাপারে কাজ করছি এবং যত শীঘ্র সম্ভব এটা আনার চেষ্টা করছি।”

আশা করা হচ্ছে, ইন্টারনেটের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার জন্য ভারতের ই-কমার্স বাজার ২০১৮ সালে ৫০ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ২০২১ সালে ৮৪ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৫ সালের মধ্যে তা ১৮৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছোবে।২০২৫ সালের মধ্যে অনলাইন শপের সংখ্যা ৩০০-৩৫০ মিলিয়নে পৌঁছাবে যেখানে ২০২০ সালে এই সংখ্যাটা ছিল ১০০-১১০ মিলিয়ন। এমন রিপোর্ট দিচ্ছে বেইন অ্যান্ড কোম্পানি এবং ফ্লিপকার্ট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।