নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করি শনিবার জানিয়েছেন, সরকার দেশিয় শিল্পকে বিশেষত ক্ষুদ্র শিল্পকে উৎসাহিত করতে খতিয়ে দেখছে আমদানি করা পণ্যের উপর শুল্ক বাড়ানোর দিকটা। সি আই আই আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি জানিয়েছেন, দাম কমাতে হলে উৎপাদন বাড়াতে হবে যাতে চিনের সঙ্গে টক্কর দেওয়া যায়। আর সেই কারণেই ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে ভারতীয় উৎপাদনকারীদের উৎসাহিত করা।

প্রচুর পরিমাণে উৎপাদন হলেও তখনই প্রতিযোগিতামূলক দাম হবে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, শিল্পমহলকেই চিহ্নিত করতে হবে সহজে ব্যবসা করতে গেলে কোন ধরনের আমদানি পণ্য দেশিয় পণ্য উৎপাদনে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে ।

পাশাপাশি বণিকসভা সিআইআই-কে চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, দেশের ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগের ক্ষেত্রে কি কি ইস্যু রয়েছে। তাছাড়া কোন কোন ক্ষেত্রে রপ্তানি বাড়ানো যায় সেদিকেও দৃষ্টি দিতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত সম্প্রতি চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের জটিলতা দেশিয় পণ্য উৎপাদনের দিকটা মাথাচাড়া দিয়েছে।

গত জুন মাসে চিন-ভারত সীমান্তে সংঘর্ষের ফলে দেশজুড়ে আওয়াজ উঠেছে চিনা পণ্য বয়কটের।‌ সেই পথে এগোনোর চেষ্টা করেছে কেন্দ্র। কিন্তু পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে চিন থেকে আসা পণ্য নিষিদ্ধ করার আগে দেখে নিতে হবে এদেশে নিজেরাই কতটা ওইসব পণ্য উৎপাদনে স্বনির্ভর রয়েছে।

কারণ তা না হলে দেশে বহু জিনিসের অভাব হবে। ফলে দেশের ভিতরে বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের দিকে ইতিমধ্যেই জোর দেওয়া হয়েছে। গত জুলাই মাসে রঙিন টেলিভিশন এবং টায়ার আমদানি অনুৎসাহিত করতে সরকার এক্ষেত্রে লাইসেন্স সংক্রান্ত ‌ কিছু বিধি নিষেধ আরোপ করেছে।

একইরকমভাবে খেলনা আসবাবপত্র খেলার সরঞ্জাম ইত্যাদি ক্ষেত্রেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া এই অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি উদ্যোগের জন্য ক্লাস্টার ভিত্তিক ক্ষেত্রের ভিত্তি শিল্পমহলের করা উচিত বলে জানানো হয়েছে। শিল্পমহলের নজর দেওয়া উচিত কৃষি গ্রামীণ ও উপজাতি ক্ষেত্রে।মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকারের চিন্তাভাবনার কেন্দ্র নীতি আয়োগ কাজ করছে ছোট ব্যবসার জন্য ক্ষুদ্র ঋণ প্রকল্পের উপর।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও