নয়াদিল্লি: শুক্রবার কংগ্রেস অভিযোগ তুলেছে কেন্দ্র লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলি বেচে দিতে উদ্যোগী হয়েছে। পাশাপাশি কংগ্রেসের বক্তব্য, সরকারের এই বিষয়ে পুনর্বিবেচনা করা উচিত, এভাবে দুর্দশাগ্রস্তের মতো বেসরকারিকরণ করার বদলে ওইসব রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকে আরো শক্তিশালী করে গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দেয়া উচিত।

কংগ্রেসের বর্ষিয়ান নেতা রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন তিনি বুঝতে পারছেন না এই সরকারের অর্থনৈতিক মডেলটিকে। তিনি অভিযোগ করেন, একদিকে পেট্রোল ডিজেল ও রান্নার গ্যাস ইত্যাদি মতো পণ্যসামগ্রীর উপর কর বাড়াচ্ছেন অন্যদিকে জনগণের অর্থে নির্মিত সম্পদ বেচে দিতে উদ্যোগী হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, অপরিশোধিত তেলের দাম ইউপিএ আমলে যা ছিল তার অর্ধেক এখন অথচ দেশের ভিতরে তেলের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। তিনি সাংবাদিক বৈঠকে মনে করিয়ে দেন , সেই সময় অভিনেতারা  সরব হয়েছিলেন অথচ এখন তারা নিশ্চুপ রয়েছেন।

তার বক্তব্য, এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির জন্য সরকারকে দেখতে পাওয়া যায় । তা না হলে রাষ্ট্রয়ত্ত সংস্থাগুলিকে বেসরকারিকরণ করা হলে তা সীমাবদ্ধ থাকত নর্থ ব্লকে এবং সাউথ ব্লকে। এরই রেশ টেনে শুক্লা জানিয়েছেন, সরকারের উচিত হবে না শুধুমাত্র লাভজনক রাষ্ট্রয়ত্ত সংস্থাগুলিকে বেচে ফেলা বরং উচিত হবে এগুলোকে শক্তিশালী করা এবং এর ম্যানেজমেন্টের ক্ষমতায়ানের ব্যবস্থা করা।

কংগ্রেসের মুখপাত্র গৌরব বল্লব মন্তব্য করেছেন, সরকারের এখন মন্ত্র হল-হাম দো হামারে দো, যো ভি মিলে বেচ দো। তার মতে, এটা যেন সরকারের পক্ষ থেকে দুর্দশায় পড়ে বেচে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের উচিত নয় সেই সব সম্পদ বিক্রি করে দেওয়া যেগুলি পূর্ববর্তী সরকার সৃষ্টি করে গিয়েছে। বল্লবের অভিযোগ, সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিকে দুর্বল করে দিযেছে তা বিক্রি করার জন্য। এই প্রসঙ্গে উদাহরণ হিসেবে তিনি জীবন বিমা নিগমের কথা উল্লেখ করেন।

ইতিমধ্যে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বিক্রির কথা বাজেটের সময় বলা হয়েছে। ব্যাংক সংযুক্তিকরণের কাজ সম্পূর্ণ করে এই বিক্রির কাজে নামা হবে। বাজেটে ধরা হয়েছে বেসরকারিকরণ, শেয়ার বেচা ইত্যাদির মাধ্যমে এই বছর ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকা তোলা হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।