নয়াদিল্লি: এবার অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সংস্থার (এমএসএমই) একক সংজ্ঞা তৈরির কথা ভাবছে কেন্দ্র। কারণ কর এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত সুবিধার কথা ভেবেই এমন পরিবর্তনে উদ্যোগী হয়েছে কেন্দ্র৷দিল্লিতে লাক্সারি সিম্পোজিয়ামে তেমনটাই জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় এমএসএমইমন্ত্রী নীতিন গড়করি।

পাশাপাশি তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী পাঁচ বছরে এই ক্ষেত্রে পাঁচ কোটি নতুন কর্মসংস্থান হবে বলে। দেশের বেহাল অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ব্যাংক এবং শিল্প ক্ষেত্রে বেশ কিছু সংস্কার করার কথা ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবার কেন্দ্র এমএসএমই ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্নর বদলে একক সংজ্ঞা নির্ধারণের বিষয় বিবেচনা করতে পারে বলে গত অগস্টে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। সে ক্ষেত্রে এমএসএমই আইনে সংশোধন হতে পারে বলে জানা গিয়েছিল। সেক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ নতুন ব্যবসা শুরুর জন্য এবং বর্তমান ব্যবসা পরিচালনার পক্ষে সহায়ক হবে।

শুধু তাই নয়, এর ফলে ভারতের সহজে ব্যবসা করা বা ‘ইজ অফ ডুয়িং বিজনেস’ চিত্রেরও একটা সার্বিক উন্নয়ন হবে। নতুন সংজ্ঞা তৈরির ক্ষেত্রে কারখানা নির্মাণ এবং যন্ত্রাংশ বসাতে বিনিয়োগের পরিমাণের পরিবর্তে বার্ষিক বিক্রির পরিমাণকে মাপকাঠি হিসাবে দেখার কথা গত ফেব্রুয়ারিতে এমএসএমই আইন সংশোধনে অনুমোদন দিয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। শীঘ্রই এই সংজ্ঞা বদলানো হবে বলে গড়করি জানান। তিনি জানান, একটি বৈঠকের পরেই এ বিষয়টা চূড়ান্ত হবে।’

ভারতীয় অর্থনীতিতে দেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের ২৯ শতাংশ এই ক্ষেত্র থেকে আসে। তাছাড়া এখন পর্যন্ত দেশের এমএসএমই ক্ষেত্রে ১১ কোটি কর্মসংস্থান হয়েছে। এই প্রসঙ্গে গড়করি বক্তব্য, আগামী পাঁচ বছরে এমএসএমই ক্ষেত্রে পাঁচ কোটি নতুন কর্মসংস্থান করতে হবে৷ বিশেষ করে উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায়, গ্রামাঞ্চল এবং কৃষি ক্ষেত্রে বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে এই কর্মসংস্থানের৷ নীতিন গড়করি মন্ত্রী হিসেবে এমএসএমই ছাড়াও সড়ক পরিবহণ ও হাইওয়ে মন্ত্রকের দায়িত্বে রয়েছেন।

তিনি জানিয়েছেন,দিল্লি এবং মুম্বইতে পাশাপাশি ১২টি গাড়ি যাতে যাতায়াত করতে পারে এমন চওড়া কংক্রিটের রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া জাতীয় সড়কে ভারতের হস্তবয়ন এবং হস্তশিল্পের আন্তর্জাতিক মানের মিউজিয়াম তৈরির পরিকল্পনা কথা এদিন তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন৷