কলকাতা: করোনা আতঙ্ক সঙ্গে নিয়েই নিউ নর্মালে খুলে গিয়েছে অফিস, আদালত ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলি। তবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্কে এখনও অন্য একাধিক রাজ্যের মতোই এরাজ্যেও বন্ধ রয়েছে লোকাল ট্রেন পরিষেবা। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদের যাতায়াতের জন্য চলছে কয়েকটি স্পেশাল ট্রেন।

তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে মূলত গরিব পরিবারগুলির স্বার্থেই এবার লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু করে দেওয়া উচিত বলে মনে করেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী।

টুইটে সুজন চক্রবর্তী লিখেছেন, ‘‘অফিস, কাছারি সব খুলে গেছে। অনেক বেশি খরচ করে কাজে যেতে বাধ্য মানুষ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে মূল যাতায়াত তো ট্রেন নির্ভর। ট্রেন এবং সরকারি পরিবহন বন্ধ রাখলে গরিব মানুষ যাতায়াত করবে কিভাবে? স্বাস্থ্যবিধি মান্য করেই অবিলম্বে সংখ্যায় বেশি লোকাল ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করুক সরকার।’’

রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক। প্রতিদিন বাড়ছে সংক্রমণ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। সোমবারও রাজ্যে নতুন করে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কা করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীও।

উৎসবের মরশুমে প্রত্যেককে সতর্ক থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে করোনার সংক্রমণ বেড়ে চলা নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরাও। ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়ে তাঁরা চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রীকে।

তবে মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান খানিকটা হলেও আশার আলো দেখাচ্ছে। দেশজুড়ে করোনার দৈনিক সংক্রমণের গ্রাফ নিম্নমুখী। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫৫ হাজার ৩৪২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৭০৬ জনের।

দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৭১ লক্ষ ৭৫ হাজার ৮৮১। এর মধ্যে অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ৮ লক্ষ ৩৮ হাজার ৭২৯টি। ইতিমধ্যেই ৬২ লক্ষ ২৭ হাজার ২৯৬ জন করোনামুক্ত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১ লক্ষ ৯ হাজার ৮৫৬ জনের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।