নয়াদিল্লি: দুর্নীতি এবং অপরাধমূলক সুযোগ সুবিধা নেওয়া দায়ে ২২ জন সিনিয়র ( সুপারিনটেন্ডেন্ট এবং এও) পদমর্যাদার কিছু অফিসারকে বরখাস্ত করল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ইন্ডিরেক্ট ট্যাক্স ও কাস্টম বিভাগ৷

মূলত প্রধানমন্ত্রীর স্বাধীনতা দিবসে দেওয়া ভাষণের পরেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে৷ যেখানে তিনি বলেছিলেন ” কিছু কুলাঙ্গার ক্ষমতাবান যারা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করছে যার ফলে সাধারন মানুষ যারা নিয়মিত ভাবে কর দেয় তাদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বা সংখ্যালঘুদের উপর ক্ষমতার প্রদর্শন করে তাদের হয়রানি করছে”।

প্রধানমন্ত্রী তখন জানিয়েছিলেন, এই ধরনের ব্যবহার সহ্য করা হবে না এবং সরকার যে কিছু সংখ্যক অফিসারদের এই কারনে বরখাস্ত করেছে সেটাও জানিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন : মন্দার বাজারে নিজের আর্থিক সুরক্ষার জন্য মাথায় রাখুন কয়েকটি শর্ত

এবারে ইন্ডিরেক্ট ট্যাক্স বিভাগ মূলত ১২ টি জোন যার মধ্যে নাগপুর, ভোপাল, চেন্নাই, বেঙ্গালুরু,দিল্লি, জয়পুর, কলকাতা,মেরুত, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু কাস্টমস, মুম্বাই কাস্টম জোন ২ এবং চণ্ডীগড় থেকে এই অফিসারদের বরখাস্ত করেছে । এর আগে ২৭ জন রেভেনিউ সার্ভিসের উচ্চ পদমর্যাদার অফিসার এবং যাদের মধ্যে ১২ জন সিবিডিটি অফিসারকে জুনের প্রথম দিকে ফান্ডামেন্টাল রুল ৫৬(জে) অনুযায়ী বরখাস্ত করা হয়।

সিবিআইসি জানায়, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ইন্ডিরেক্ট ট্যাক্স ও কাস্টমস বিভাগ আরও ২২জন উচ্চ পদমর্যাদার অফিসারকে (সুপারিন্টেনডেন্ট/ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ র‍্যাঙ্কের) ফান্ডামেন্টাল রুল অনুযায়ী দুর্নীতি ও অন্য ধরনের সিবিআই চার্জ থাকার দরুন বরখাস্ত করে। এক সিবিআইসি অফিসার বলেন “আমরা বেশ কিছুসংখ্যক ট্যাক্স অফিসারের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ নিয়েছি এবং আমরা এই ধরনের ব্যবহার সহ্য করব না।”

অর্থমন্ত্রক আগেই ২৭ জন সিনিয়র অফিসারকে বরখাস্ত করেছিল যাদের মধ্যে ১২জন ট্যাক্স বিভাগের অফিসার ও ছিলেন। এইবছর জুন মাসে ১৫ জন অফিসার কে বরখাস্ত করা হয় যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং বেআইনি ভাবে সুবিধা নেওয়া অভিযোগ ছিল । এছাড়াও ১৫ জন সিনিয়র পদমর্যাদার অফিসার যাদের মধ্যে প্রিন্সিপাল কমিশনার,কমিশনার , অ্যাডিশনাল কমিশনার ও ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার ছিলেন।

আরও পড়ুন : ফ্রি কল ও ডেটার অফার বাজারে আনছে ভোডাফোন, আইডিয়া

এছাড়াও নরেন্দ্র মোদী সরকার ১০ জন প্রত্যক্ষ কর দফতরের অফিসারকে বরখাস্ত করে যাদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি সহ কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতর সিবিআই এবং রেভেনিউ ইন্টালিজেন্স থেকেও অভিযোগ ছিল।

ইতিমধ্যে বেশী পরিমানে রাজস্ব আদায়ের জন্য এবং কর প্রদানকারী মানুষের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। ন্যায্য আয়ের উপর ভিত্তি করে মানুষ যাতে কর দেয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।