চণ্ডীগড়: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এর কারণে হরিয়ানা সরকার ছাত্রদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে বুধবার গরমের ছুটির কথা ঘোষণা করেছে। হরিয়ানা শিক্ষা মন্ত্রী কানওয়ার পাল বুধবার একটি টুইট করে জানিয়েছেন, ২২ এপ্রিল থেকে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত স্কুল গরমের ছুটির জন্য বন্ধ রাখা হবে।

এপ্রিলের শুরুর দিকে দেশে করোনা সংকরমণ ক্রমবর্ধমান বেড়ে চলার কারণে হরিয়ানা সরকার নিচু শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণির ক্লাস এপ্রিল ৩০ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে কোভিডের কারণে উচু ক্লাসগুলিও বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিদ্যালয়গুলি বন্ধ রাখা হলেও পরীক্ষার ফলাফলগুলির জন্য শিক্ষকদের অবশ্য উপস্থিত থাকতে হত স্কুলে ।

হরিয়ানা শিক্ষা মন্ত্রী আরও বলেন, এই মহামারীর সময়ে ছাত্রদের পাশাপাশি শিক্ষকদের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষার কারণে আগেই গরমের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্যে।

গত সপ্তাহে হরিয়ানা বোর্ড অব স্কুল এডুকেশন (এইচবিএসই) রাজ্যের দশম শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিলের সঙ্গে দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা স্থগিত করেছে। হরিয়ায়ানার তথ্য পরিচালক, জনসংযোগ এবং ভাষা বিভাগের তরফে একটি অফিশিয়াল টুইটের মাধ্যমে প্রকাশ করে জানিয়েছে, দশম শ্রেণীর ছাত্রদের ইন্টারনাল অ্যাসাইমেন্ট এর বিচারে পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

অন্যদিকে হরিয়ানার পর ভারতের আরেক রাজ্য রাজস্থানে এই মহামারীর সময়ে ছাত্র-শিক্ষকের স্বাস্থ্যর কথা মাথায় রেখে বুধবার ২২ এপ্রিল থেকে ৪৫ দিনের জন্য গরমের ছুটি দেওয়া হয়েছে। রাজস্থান সরকার ২২ এপ্রিল থেকে ৬ জুন পর্যন্ত রাজ্যের সকল সরকারী ও বেসরকারী বিদ্যালয়গুলি গরমের ছুটির জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর পাশাপাশি রাজস্থানের শিক্ষা মন্ত্রী গোবিন্দ সিং দোতাস্রা টুইট করে জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য যে সকল শিক্ষককে নিযুক্ত করা হয়েছে, তারা কেবল জেলা কালেক্টর বা উপ-বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃপক্ষের অনুমতিতে ছুটি পাবে।

গত সপ্তাহে রাজস্থান বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (আরবিএসই) রাজ্যের সমস্ত বিদ্যালয়ের ৬ এবং ৭ শ্রেণীর পরীক্ষা বাতিল করে। এর পাশাপাশি কোভিডের কারণে এই দুই শ্রেণী পড়ুয়াদের ইন্টারনাল অ্যাসাইমেন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ করার বিষয়ের কথাও জানানো হয় বোর্ডের তরফে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.