নয়াদিল্লি : সোমবার অর্থাৎ ১৪ই সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। এই অধিবেশনে ঝড় তুলতে পারে ভারত চিন সীমান্ত সমস্যা। বাদল অধিবেশনে চিনা আগ্রাসন ও সীমান্তের উত্তাপ ইস্যুতে বিবৃতি রাখতে পারে কেন্দ্র।

সূত্রের খবর রবিবারের বিজনেস অ্যাডভাইসারি কমিটির বৈঠকে এই ইস্যুতে পূর্ণাঙ্গ আলোচনা চলেছে। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে সংসদে ভারত চিন ইস্যুতে বিবৃতি পেশ করবে সরকার।

সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী জানান মঙ্গলবার এই ইস্যুকে সামনে রেখে একটি বিশেষ আলোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই আলোচনা বা বৈঠকেই জানা যাবে কেন্দ্র বিবৃতি দেবে কিনা। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টিতে স্বচ্ছতা বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার যে কোনও বিষয়েই আলোচনায় রাজি।

সীমান্তে চিনের আগ্রাসন নিয়ে সবথেকে বেশি সরব কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। সরকারকে চাপে রাখে একাধিক তথ্য তুলে ধরেছেন তিনি। উল্লেখ্য এর আগে জানানো হয়েছিল এবারের অধিবেশনে ভারত চিন সীমান্তের উত্তাপ বা চিনা আগ্রাসন নিয়ে কথা নাও হতে পারে। ২০১৭ সালে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থের উল্লেখ করে ডোকলাম ইস্যুকে সংসদে পেশ করা হয়নি আলোচনার জন্য।

তবে বিরোধী চাপে পড়েই কি সিদ্ধান্ত বদল করার কথা ভাবছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার, প্রশ্ন তুলেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে, ব্রিগেড কমান্ডার স্তরের বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়ার পরে ফের একটা বৈঠকের আয়োজন করতে চাইছে ভারত। নয়াদিল্লির বক্তব্য আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে বের করা উচিত। কিন্তু সেপথে হাঁটতে রাজি নয় বেজিং।

এদিকে রিপোর্ট বলছে সাঁজোয়া, অতিরিক্ত সেনা সীমান্তে মজুত করছে চিন। পূর্ব লাদাখের প্যাংগং লেকের দক্ষিণ প্রান্তে স্পানগর গ্যাপে মোতায়েন রয়েছে ভারতীয় সেনা। সেনার শ্যুটিং রেঞ্জের মধ্যে চিনা সেনা চলে এসেছে বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতীয় সেনায় জারি করা হয়েছে চূড়ান্ত সতর্কতা। চিনা উসকানিতে কোনওভাবেই যেন ভারত পা না দেয়, সেই নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

অগাষ্ট মাসের ৩০ তারিখ থেকে গুরুং হিল ও মাগার হিলের মধ্যবর্তী স্পানগর গ্যাপে অবৈধভাবে সেনা মোতায়েন করেছে চিন। প্যাংগং লেকের দক্ষিণ প্রান্তে চুশুলের কাছে দখলদারি এই সেনা মোতায়েনের মূল উদ্দেশ্য। দুই দেশই শ্যুটিং রেঞ্জের মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছে বলে খবর।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।