নয়াদিল্লি: করোনা আক্রান্ত শিশুদের জন্য এক নির্দেশিকা (guideline) জারি করল কেন্দ্র সরকার। নতুন এই নির্দেশিকায় চিকিৎসার জন্য রেমডেসিভির ড্রাগকে সুপারিশ করা হয়নি। তার বদলে এইচআরসিটি ইমেজিং (HRCT imaging) ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নতুন এই নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য পরিষেবার ডিরেক্টর জেনারেল (DGHS)। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে এই স্টেরয়েড উপসর্গহীন ও কম উপসর্গযুক্ত রোগীর ক্ষেত্রে ক্ষতিকারক।

DGHS জানিয়েছেন, স্টেরয়েড শুধুমাত্র হাসপাতালেই ব্যবহার করা যাবে। তাও করোনা যদি কারোর মধ্যে গুরুতর প্রভাব ফেলে সেই ক্ষেত্রে কড়া পর্যবেক্ষণে রেখে রোগীকে দেওয়া যাবে স্টেরয়েড। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সঠিক সময়ে, সঠিক ডোজে এবং সঠিক ব্যবধানে স্টেরয়েড প্রয়োগ করা যাবে। নিজের থেকেই কেউ যাতে স্টেরয়েড ব্যবহার না করেন, তার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের নির্দেশিকায় এও বলা হয়েছে, জরুরী প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে অনুমোদিত ওষুধ রেমডেসিভির। কিন্ত তা কখনই বাচ্চাদের উপর প্রয়োগ করা যাবে না। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ১৮ বছরের কম যাদের বয়স, তারা কতটা রেমডেসিভিকে আয়ত্ত করতে পারবে সেই সম্পর্কিত সুরক্ষা এবং কার্যকারিতার তথ্যের অভাব রয়েছে। নির্দেশিকায় করোনা রোগীদের ফুসফুসের অবস্থা দেখার জন্য High-resolution CT (HRCT) ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শোনা যাচ্ছে করোনার তৃতীয় ঢেউ প্রভাব ফেলতে পারে শিশুদের উপর। যদিও এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত নন। দিল্লির এইমস্-এর (AIIMS) ডিরেক্টর ডাঃ রণদীপ গুলেরিয়াও ঠিক একই কথা বলেন। তাঁর মতে, এখনও পর্যন্ত এমন কোনো পোক্ত প্রমাণ নেই যা প্রমাণ করে যে করোনার (Covid-19) তৃতীয় ঢেউয়ে (Third Wave) শিশুরাও সর্বোচ্চ মাত্রায় আক্রান্ত হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর কোভিড ম্যানেজমেন্ট টিমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ডাঃ ভিকে পাল এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, এটা এখনও অনিশ্চিত যে একটি ঢেউ কেবলমাত্র শিশুদের উপরই প্রভাব ফেলবে। তবে এখনও পর্যন্ত শিশুরাও প্রাপ্তবয়স্কদের মত একইরকম সেরোপ্রেভ্যালেন্স (seroprevalence) প্রদর্শন করেছে। এমনকি তিনি এও জানান যে, এখনও পর্যন্ত বাচ্চাদের উপর করোনা তৃতীয় ঢেউ যে প্রভাব ফেলবে তার কোনো প্রমাণ নেই। তবে টিকাকরণ (Vaccination) হয়ে যাওয়া প্রাপ্তবয়স্করা চাইলে সেসময় শিশুদের রক্ষা করতে পারবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.