রাজ্য সরকারি কর্মী
রাজ্য সরকারি কর্মী (ফাইল ছবি)

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা এবার থেকে লিভ ট্র্যাভেল কনসেশন বা এলটিসি-র ভাউচারের সুবিধা পেতে একাধিক বিল জমা করতে পারবেন। এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক।

তবে অবশ্য ওই বিলগুলিতে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নামেই হতে হবে। সম্প্রতি কেন্দ্র উৎসবের মরসুমে যাতে কেনাকাটা বৃদ্ধি পেয়ে অর্থনীতি চাঙ্গা হতে পারে তার জন্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য এলটিসি-র সুবিধাকে নতুন করে সাজিয়েছে ।e

গত ১২ অক্টোবর কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এই বিষয়ে ঘোষণা করে জানান, দেশের যে কোনও জায়গায় বেড়াতে গেলে বেতনক্রম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে বিমান ভাড়া বা ট্রেনের টিকিটের খরচ দেওয়া পাশাপাশি দেওয়া হবে ডিএ-সহ ১০ দিনের ছুটির টাকাও।

আবার করোনা পরিস্থিতির জন্য যাঁরা বেড়াতে যেতে পারেননি, তাঁরা পণ্য ও পরিষেবা কিনলেও সে টাকা ফেরত পাবেন। তবে সেক্ষেত্রে শর্ত হল জিএসটি ১২% বা তার বেশি হতে হবে এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে দাম মেটাতে হবে । কেন্দ্রের আশা, এরফলে জিএসটি সংগ্রহও বৃদ্ধি পাবে।

এই প্রকল্প সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিষয়টিকে স্পষ্ট করেছে অর্থ মন্ত্রক। জানিয়েছে, প্রকল্পের সুবিধা পেতে হলে কর্মচারীর নামে একাধিক বিলও জমা করা যাবে।

তবে সেই কেনাকাটা করতে হবে আগামী মার্চ মাসের মধ্যে। আর তারা ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত এলটিসি-র পুরো অর্থ যাঁরা খরচ করে উঠতে পারেননি তাঁরা অবশিষ্ট অর্থ দাবি করার জন্য ঘোষিত প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন।

তবে সেজন্য অর্থবর্ষের শেষের দিকের চাপ এবং হিসেবের জটিলতা কমাতে কর্মচারীদের আগামী ১ মার্চের মধ্যে বিল জমা দিতে পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I