নয়াদিল্লি: পণ্য পরিষেবা কর বা জিএসটি আদায় হয়েছে সেপ্টেম্বর মাসে ৯৫,৪৮০ কোটি টাকা। যা মার্চ মাসে শুরু হওয়া লকডাউনের পর মাসিক আদায় সর্বোচ্চ।এই সেপ্টেম্বর মাসে জিএসটি আদায় হয়েছে আগস্ট মাসের তুলনায় ১০.৪ শতাংশ বেশি আর গত বছরের সেপ্টেম্বরে তুলনায় ৪ শতাংশ বেশি বলে বৃহস্পতিবার বিবৃতিতে জানিয়েছে অর্থমন্ত্রক।

কর বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য অর্থনীতি আবার কাজ শুরু করেছে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ফের কিছুটা গতি পাওয়ায় এই আদায় বৃদ্ধি হয়েছে। এভাবে রাজস্ব বৃদ্ধি ইঙ্গিত দিচ্ছে ফের স্বাভাবিক ব্যবসা ও কাজ কর্মের পথে ফিরছে। একটা আশাব্যঞ্জক অবস্থা সূচিত করছে।

জিএসটি মোট আদায়ের মধ্যে সেন্ট্রাল জিএসটি হল ১৭,৭৪১ কোটি টাকা, স্টেট জিএসটি হলো ২৩,১৩১ কোটি টাকা, ইন্টিগ্রেটেড জি এস টি হল ৪৭,৪৮৪ কোটি টাকা যার মধ্যে ২২,৪৪২ কোটি টাকা রয়েছে আমদানিকৃত পণ্য। সেস আদায় হয়েছে ৭১২৪ কোটি টাকা যার মধ্যে আমদানিকৃত পণ্য রয়েছে ৭৮৮ কোটি টাকা। সরকার ২১,২৬০ কোটি টাকা নিষ্পত্তি করেছে সিজিএসটি এবং ১৬,৯৯৭ কোটি টাকা এসজিএসটি নিষ্পত্তি করেছে আইজিএসটি থেকে।

মন্ত্রক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত বছরের এই মাসের তুলনায় এবারে পণ্য আমদানি করে আয় হয়েছে ১০২ শতাংশ এবং অন্তর্দেশীয় বাজারে পণ্য আয় হয়েছে ১০৫ শতাংশ।

এই তথ্য এলো যখন কেন্দ্র এবং রাজ্যের জিএসটি সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিবাদ চলছে। কয়েকদিন বাদে ৫ অক্টোবর জিএসটি পরিষদের বৈঠক রয়েছে ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।