নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় সরকার রিজার্ভ ব্যাংকের মনিটারি পলিসি কমিটির তিন বাইরের প্রতিনিধিকে নিয়োগ করল। যেহেতু সেপ্টেম্বর মাসে চার বছরের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় কমিটিতে থাকা তিন সদস্যের।

এবার সরকার মনোনীত তিনজন হচ্ছেন ইন্দিরা গান্ধী ইনস্টিটিউট অফ ডেভলপমেন্ট রিসার্চের অধ্যাপক অসীমা গয়াল, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট আমেদাবাদের অধ্যাপক জয়ন্ত আর ভর্মা এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ অ্যাপ্লাইড ইকনোমিকসের সিনিয়র অ্যাডভাইজার শশাঙ্ক ভিদে। এরা যুক্ত হবেন কমিটির অপর তিন সদস্য রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস, ডেপুটি গভর্নর মাইকেল পাত্র এবং এক্সিকিউটিভ দিরেক্টর মৃদুল সাগরের সঙ্গে। এই কমিটি ঠিক করবে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুদের হার কত হবে।

অসীমা গয়াল প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পর্ষদের সদস্য। তাছাড়া তিনি রিজার্ভ ব্যাংকের টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজারি কমিটিতে আগে ছিলেন। আইডিবিআই ব্যাংক, এস বি আই জেনারেল ইনসিওরেন্স সহ বিভিন্ন সংস্থার ডিরেক্টর। জয়ন্ত আর ভার্মা হলেন আর্থিক বাজার বিশেষজ্ঞ এবং তার গবেষণার বিষয়বস্তুতে রয়েছে আর্থিক ক্ষেত্র সংস্কার। অন্যদিকে শশাঙ্ক ভিদে হলেন কৃষি এবং মুদ্রাস্ফীতি বিশেষজ্ঞ।

প্রসঙ্গত ২৯ সেপ্টেম্বর পূর্বনির্ধারিত রিজার্ভ ব্যাংকের মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠক বাতিল হয়। তখন জানানো হয় বৈঠকের দিন স্থির করে পরে জানানো হবে। ২০১৬ সাল থেকে সুদের হার নির্ধারণের ব্যাপারে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নরের ভূমিকার বদলে ছয় সদস্যের মনিটারি পলিসি কমিটির উপর দেওয়া হয়। এই ছয় সদস্যের মধ্যে রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর সহ ভিতরের তিনজন থাকেন এবং বাকি তিনজন বাইরে থেকে আসা প্রতিনিধি ‌। বাইরের প্রতিনিধিরা ছিলেন ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক চেতন ঘাটে, দিল্লি স্কুল অফ ইকনোমিকসের ডিরেক্টর পামি দুয়া এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট আহমেদাবাদের অধ্যাপক রবীন্দ্র ঢোলাকিয়াকে। সেপ্টেম্বর মাসে এদের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I