নয়াদিল্লি: কেন্দ্রীয় বাজেটে জোরালো নজর স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। আর্থিক বাজেটে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে ৬৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশ থেকে যক্ষা রোগ নির্মূল করতেও কেন্দ্র বদ্ধপরিকর বলে বাজেট পেশ করতে গিয়ে জানান অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।

শনিবারের বাজেটে দেশের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বিপুল বরাদ্দের ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর। একইসঙ্গে বাজেটে গ্রামীণ স্বাস্থ্যক্ষেত্রের দিকেও নজর রাখা হয়েছে। জনঔষধি কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। এবার গ্রামীণ এলাকায় কেন্দ্রীয় উদ্যোগে জনঔষধি কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়াতে তৎপরতা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন নির্মলা সীতারমন। এক্ষেত্রে দেশের গ্রামীণ এলাকাগুলির উল্লেখ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। গ্রামাঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবায় আরও গতি আনতে কেন্দ্র বিশেষভাবে সচেষ্ট বলেও এদিন সওয়াল করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। এই প্রসঙ্গে নির্মলা বলেন, ‘২০২৪ সালের মধ্যে দেশের সব জেলায় কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে জনঔষধি কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে’৷

এরই পাশাপাশি জল জীবন মিশনের জন্য ৩.৬ লক্ষ কোটি, স্বচ্ছ ভারত মিশনের জন্য ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। শনিবার দ্বিতীয় মোদী সরকারের দ্বিতীয় আর্থিক বাজেট পেশ করেন নির্মলা সীতারমন। বাজেট পেশের শুরুতেই প্রয়াত প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানান কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। জিএসটি- জন্য ফের একবার দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন নির্মলা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।