কলকাতা: রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সংঘাত যেমন নতুন নয়, তেমনই রাজ্যপালের সঙ্গে যাদবপুরের পড়ুয়াদের সঙ্গেও বারেবারে বিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে। আর সেই ইস্যুতেই যোগ দিল নতুন মাত্রা। রাজ্যপালকে ‘মেরুদণ্ডহীন’ বলে কটাক্ষ করে রাস্টিকেট করার চিঠি দিল যাদবপুরের ছাত্র সংগঠন।

চিঠিতে দাবি করা হয়, এনআরসি, সিএএ নিয়ে রাজ্যপালকে পড়ুয়ারা সোমবার যে প্রশ্ন করেছিল তাঁর সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি রাজ্যপাল। উল্লেখ্য, ওইদিনই প্রশ্নোত্তর পর্বে রাজ্যপালকে জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববদ্যালয়ের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন করলে জগদীপ ধনকড় জানিয়েছিলেন, ওই বিষয় তিনি অবগত নন।

পড়ুয়ারা চিঠিতে রাজ্যপালকে ‘প্রাক্তন চ্যান্সেলার’ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁকে ‘রাস্টিকেট’ করার বার্তা দেয়। পাশাপাশি চিঠির সঙ্গে একটি রিপোর্ট কার্ডের উল্লেখ করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, রাজ্যপালের সাধারণ জ্ঞান সন্তোষজনক নয় ও ইতিহাসের জ্ঞান শূন্য। রিপোর্টে রাজ্যপালকে ‘মেরুদণ্ডহীন’ ও বলা হয়।

আরও পড়ুন – মমতার কুনজরে কর্ণাটকের মতোই অবস্থা হবে, হেমন্তকে সতর্কবার্তা দিলীপের

বিস্ফোরক চিঠিতে পড়ুয়ারা দাবি করে ১৯ সেপ্টেম্বর রাজ্যপালের উপস্থিতিতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অংশ ভাঙচুর করে দুষ্কৃতীরা ও বোমাও ছোঁড়া হয়। একই সঙ্গে শ্লীলতাহানি করা হয় মহিলাদেরও।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাজ্যপালের গাড়ি যাদবপুর চত্বরে প্রবেশের সঙ্গে বিক্ষোভের মুখে পড়ে। দেড় ঘণ্টা ধরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। এরপর তিনি ফিরে গেলে ফাঁকা চেয়ারেই শুরু হয় যাদবপুরের সমাবর্তন। এই প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করা হলে তাঁরা জানান , ‘আগেও আচার্য ছাড়া সমাবর্তন হয়েছে। এর নিয়মও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনে রয়েছে। তাই এই অনুষ্ঠান শুরু হচ্ছে।’ তাঁরা ছাত্রদের সম্মান প্রদানে দেরী করতে চান না বলে জানিয়ে দেন।