শিলিগুড়ি: গোর্খাল্যান্ড নিয়ে হুঁশিয়ারি তৃণমূলের৷ যে কোন ভাবে বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র রুখে দেব৷ প্রতিক্রিয়া তৃণমূল নেতা গৌতম দেবের৷ গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে আগামী ৭ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের ডাক দিয়েছে কেন্দ্র৷ এরপরই তৃণমূল নেতা গৌতম দেব সংবাদমাধ্যমকে বলেন,বিজেপি বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র করছে। কোনওভাবেই সফল হতে দেব না। এই ষড়যন্ত্র রুখে দেব৷

এছাড়া জিটিএ-র চেয়ারম্যান অনীত থাপা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, দার্জিলিঙে কোনও নির্বাচন এলেই আমাদের কথা মনে পড়ে কেন্দ্রের৷ ফলে এবারের এই আলোচনা ফলপ্রসূ হবে না৷

সূত্রের খবর,ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব, জিটিএ-র প্রধান সচিব, দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক ও গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে৷ তাতে বলা হয়েছে আগামী ৭ অক্টোবর বুধবার সকাল ১১টায় নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক৷

এবার দেখার বিষয় এই বৈঠকে বিমল গুরুংপন্থী গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা ও জিএনএলএফ হাজির হয় কিনা৷ কারণ এর আগেও একবার কেন্দ্র জিটিএ নিয়ে একটি ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের ডাক দিয়েছিল৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই বৈঠক বাতিল হয়ে যায়৷

প্রসঙ্গত,জম্মু-কাশ্মীরকে ভেঙে দুটো পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার পরই কেন্দ্রের কাছে গোর্খাল্যান্ডের দাবি জানান দার্জিলিং-এর সাংসদ রাজু বিস্তা৷ গোর্খাল্যান্ড না হলেও একটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের দাবি জানিয়েছেন তিনি৷

এবার গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে আগামী ৭ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের ডেকেছে কেন্দ্র৷ কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপে গোর্খাল্যান্ড তৈরির বিষয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার( গোজমুমো) নেতা বিমল গুরুং বিজেপির অবস্থানকে সমর্থন করে অনেক আগেই গোর্খাল্যান্ড নিয়ে দাবি রেখেছেন৷ গুরুং নেতৃত্বাধীন মোর্চার দাবি, দার্জিলিং পার্বত্যাঞ্চলের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের যে প্রতিশ্রুতি বিজেপি দিয়েছিল তা বাস্তবে করে দেখাক তারা।

সংগঠনের অপর শীর্ষ নেতা তথা গুরুংপন্থী শিবিরের অন্যতম মুখ রোশন গিরিও জানিয়েছেন, আমরা পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্যের দাবি জানাচ্ছি। বিজেপিও তাদের ইস্তেহারে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

সুভাষ ঘিসিংয়ের হাত ধরে ৮০ র দশকে পাহাড়ে শুরু হয় গোর্খাল্যান্ড আন্দোলন৷ ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৮৮ সাল৷ সুভাষ ঘিসিং এর নেতৃত্বে গোর্খা ন্যাশান্যাল লিবারেশন ফ্রন্ট বা GNLF, পৃথক গোর্খাল্যান্ডের জন্য পাহাড়ে আন্দোলন শুরু করে৷ বনধ, অবরোধ, হিংসা, রক্তপাতের সেই শুরু৷ ভয়ংকর আন্দোলনে ২ বছরে মারা যান কয়েকশো মানুষ৷

পাহাড়ে অশান্তি থামাতে জ্যোতি বসুর উদ্যোগে ভারত সরকার, পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও সুভাষ ঘিসিং এর গোর্খা ন্যাশান্যাল লিবারেশন ফ্রন্টের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়৷ ১৯৮৮ সালের ২২ আগষ্ট কলকাতার রাজভবনে মাথা তোলে দার্জিলিং গোর্খা হিল কাউন্সিল৷ তৈরি হলো ‘দি দার্জিলিং গোর্খা হিল কাউন্সিল অ্যাক্ট ১৯৮৮’৷

এদিকে গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, বাংলা ভাগের চেষ্টা হলে তা কোনওমতেই মেনে নেওয়া হবে না৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।