কলকাতা: সম্পর্কটা অনেক দিনের। টলিপাড়ায় অনেকেই জানতেন তাঁদের সম্পর্কের কথা। পার্টি, ডিনার থেকে শুরু করে জিমেও একসঙ্গে যেতেন তাঁরা।

তবে এবার তাঁদের সম্পর্ক আরও একধাপ এগোনোর পথে। বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন অভিনেতা গৌরব চট্টোপাধ্যায় ও দেবলীনা কুমার। দীর্ঘদিনের সেই সম্পর্ককেই এবার আইনি স্বীকৃতি দিতে চলেছেন তারকাজুটি গৌরব ও দেবলীনা।

আগামী ডিসেম্বরে মাসেই নাকি বিয়ে করছেন তাঁরা। ৯ ডিসেম্বর আইনত এক হবে চার হাত। রেজিস্ট্রি হবে ডিসেম্বরের ১৫ তারিখ। তবে বিয়ের অনুষ্ঠান এখন হলেও রিসেপশন কিন্তু ঢের দেরী। আগামী বছর মার্চ মাসে।

দেবলীনা জানিয়েছেন, বিয়ের দিন লাল বেনারসি ছাড়া অন্য কিছু ভাবতেই পারেন না তিনি। দীপাবলির পরের দিনই গিয়ে টুকটুকে লাল বেনারসি শাড়ি কিনে এনেছেন। রেজিস্ট্রির দিন পরবেন ইন্দো-ওয়েস্টার্ন। তবে কাজ থেকে বিরতি নেননি দেবলীনা-গৌরবের কেউই! ৭ তারিখ অবধি অরিন্দম শীলের তীরন্দাজ শবর-এর শুটিং রয়েছে অভিনেত্রীর। এমনকী রেজিস্ট্রির দিনও একটা শুট পড়ে গিয়েছে।

২০১৩ সালে অভিনেত্রী অনিন্দিতা বসুর সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন গৌরব। তিন বছর পরই সম্পর্কে ইতি টানেন উভয়ে। তারপর জীবনে এগিয়ে গিয়েছেন দু’জন। গৌরব নতুন করে মন দেন তৃণমূল নেতা দেবাশিস কুমারের মেয়ে দেবলীনাকে। প্রথমে ২৫ ডিসেম্বর বিয়ের দিন ঠিক হয়েছিল।

কিন্তু করোনার কোপে সে পরিকল্পনায় বদল ঘটেছে। শোনা গিয়েছে, ঘনিষ্ঠ বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের লোকেদের উপস্থিতিতে আগামী ৯ ডিসেম্বরই বিয়ে সারবেন গৌরব-দেবলীনা। আর ১৫ তারিখ হবে রেজিস্ট্রি। এদিকে রাসমণির সেটে গৌরবের আইবুড়ো ভাত খাওয়ার ছবি পোস্ট করেন তাঁর অনস্ক্রিন স্ত্রী জগদম্বা মানে রশনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।