নয়াদিল্লি : মাথায় হাত পড়তে চলেছে চাকুরিজীবীদের। এবার থেকে কোনও সংস্থায় চাকরি পেলে অথবা ছাড়লে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর হয়ত লাগু হতে পারে জিএসটি। তবে যে কোম্পানি ওই ব্যক্তি ছেড়ে যাচ্ছে, সেই কোম্পানিকে নোটিশ না দিলেই এই সমস্যায় পড়তে হতে পারে ওই ব্যক্তিকে। রিকভারি অ্যামাউন্টের ১৮ শতাংশ জিএসটি কাটা হতে পারে বলে খবর।

এমনই নিয়ম চালু হতে চলেছে গুজরাতে। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নোটিশ পিরিয়ডে না থাকলে তবেই জিএসটি কাটা হবে বলে জানানো হয়েছে। এই প্রেক্ষিতে বেশ কিছু তথ্য জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছে নোটিশ পিরিয়ডের কিছু অবশ্য পালনীয় কর্তব্য থাকে। যদি ওই পদত্যাগে ইচ্ছুক ব্যক্তির কাছে পূর্ব কোম্পানির অ্যাসেট থাকে অথবা গুরুত্বপূর্ণ কাজের দায়িত্ব থাকে, তবে তা সম্পূর্ণ করার দায়িত্ব ওই ব্যক্তি বা কর্মীর। তাই সেই সময় অর্থাৎ নোটিশ পিরিয়ডে বাকি থাকা কাজগুলি সম্পন্ন করার সময় দেওয়া হয়।

কোনও কর্মী যদি নোটিশ পিরিয়ড ছাড়াই অন্য কোম্পানিতে যোগ দিতে চায়, তবে পূর্ব কোম্পানিকে যে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়, তা পূরণ করার জন্য এই জিএসটি লাগু করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে, দেশে জিএসটি চালু হবার পর এতটা পণ্য পরিষেবা কর আদায় কখনও হয়নি, ফলে এই ডিসেম্বর মাসে সর্বকালীন রেকর্ড গড়ল। এমনটাই জানাচ্ছে কেন্দ্র। এই ডিসেম্বর মাসে জিএসটি বাবদ কর আদায় হয়েছে ১.১৫ লক্ষ কোটি টাকা যা গত ডিসেম্বর মাসের তুলনায় ১২ শতাংশ বেশি।

এরমধ্যে সিজিএসটি ২১,৩৬৫ কোটি টাকা এবং এস জি এস টি ২৭,৮০৪ কোটি টাকা। তাছাড়া আইজিএসটি আদায় হয়েছে ৫৭,৪২৬ কোটি টাকা যার মধ্যে পণ্য আমদানি থেকে কর সংগ্রহ হয়েছে ২৭০৫০ কোটি টাকা।সেস আদায় ৮৫৭৯ কোটি টাকা তারমধ্যে পণ্য আমদানি করে এসেছে ৯৭১ কোটি টাকা। আইজিএসটি-র অর্থ কেন্দ্র এবং রাজ্যের জিএসটি তহবিলের ভাগাভাগি পর ডিসেম্বরে জি এস টি তে মোট আয় হয়েছে ৪৫,৪৮৫ কোটি টাকা।

পরিসংখ্যান অনুসারে, গত বছরের তুলনায় পণ্য আমদানি থেকে কর সংগ্রহ বেড়েছে ২৭ শতাংশ এবং দেশের বাজারে পণ্য কেনাবচা থেকে কর আদায় বেড়েছে ৮ শতাংশ। এই তথ্য নিঃসন্দেহে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

যেখানে গত মার্চ মাসে লকডাউন ঘোষণা হওয়ার পর জিএসটি আদায় একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছিল। তারপর ক্রমশ আনলক পর্ব শুরু হয়েছে । সেপ্টেম্বর মাস থেকে বাজারে পণ্য সামগ্রী চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়তে থাকে আদায়। যা দেখে বিশেষজ্ঞদের একাংশের অভিমত, উৎসবের মরসুমে পর এবার বিয়ের মরসুম ফলে বিভিন্ন জিনিসের চাহিদা হতে পারে। যেমন সোনা গহনা গাড়ি ইত্যাদির। এছাড়া বছর শেষ হয়ে নতুন বছর পরছে সে ক্ষেত্রে ঘুরতে বেরোতে যাওয়ার প্রবণতা থাকতে পারে। এর ফলে পর্যটন ক্ষেত্রে চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.