কলকাতা: দুরন্ত ডিফেন্সের জন্য ‘চিনের প্রাচীর’ খেতাব পেয়েছিলেন৷ ১৯৬২ সালে ভারতের প্রথম ফুটবলার হিসেবে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন গোষ্ঠ পাল। রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের হাত থেকে সম্মান গ্রহণ করেছিলেন৷ ভারতের তথা মোহনবাগানের কিংবদন্তি ফুটবলার গোষ্ঠ পালের সেই সম্মাননা ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছে প্রিয় ক্লাব থেকেই৷ প্রয়াত ফুটবলারের পরিবার এতে ক্ষুব্ধ৷ তাঁদের তরফে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে৷

আরও পড়ুন-২৭ বছর পর গোষ্ঠ পালের দুষ্প্রাপ্য পুরস্কার ফিরে পেল পরিবার

ক্ষোভ এতটাই তার প্রমাণ মিলেছে গোষ্ঠ পালের নাতির কণ্ঠে৷ ঠাকুরদার পদক হারিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন নাতি গিরবান৷ ফোনের ওপারে গিরবান বলেন, ‘পদ্মশ্রী খোঁজ নেই, ফিরিয়ে দেওয়া ট্রফির সবই অযত্নে ভগ্নপ্রায়৷ ঠাকুরদাকে যোগ্য সম্মান দিয়েছে মোহনবাগান৷ এদিকে গোষ্ঠ পালের পুত্র নীরাংশু পালের অভিযোগ, পিতার স্মৃতিবিজড়িত সাতটি সামগ্রীর হদিশ দিতে পারছে না মোহনবাগান কর্তৃপক্ষ৷ পদ্মশ্রী সহ একাধিক স্মারকের খোঁজ নেই৷ তিনি জানিয়েছেন, চিন্তায় ঘুম উড়ে গিয়েছে পরিবারের সদস্যদের৷ উপায় না দেখে ভ্যানিশ হওয়া পদ্মশ্রী ফেরত পেতে শেষ পর্যন্ত থানায় অভিযোগ জানিয়েছি৷

আরও পড়ুন- অঞ্জন মিত্রের বিরুদ্ধে গোষ্ঠ পালের পুরস্কার কুক্ষিগত করার অভিযোগ

গোষ্ঠ পালের শেষ ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে পদ্মশ্রী সম্মাননা ১৯৯২ সালে তাঁর মাতৃসম ক্লাবের হাতে তুলে দেন আত্মীয়রা৷ এর বদলে ছোট্ট একটা প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলেন তাঁরা৷ মোহনবাগান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল-ক্লাবের উদ্যেগেই তৈরি হবে সংগ্রহশালা৷ যোগ্য সম্মানে সেখানেই সংরক্ষিত থাকবে গোষ্ঠ পালের মহামূল্যবান স্মৃতি স্মারক ও পদ্মশ্রী পদক৷

অঞ্জন মিত্রের বিরুদ্ধে গোষ্ঠ পালের পুরস্কার কুক্ষিগত করার অভিযোগ

অঞ্জন মিত্রের বিরুদ্ধে গোষ্ঠ পালের পুরস্কার কুক্ষিগত করার অভিযোগবিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন https://bit.ly/2C27KeX

Kolkata24x7 यांनी वर पोस्ट केले सोमवार, २५ फेब्रुवारी, २०१९

অভিযোগ, সেই কথা রাখেনি মোহনবাগান ক্লাব৷ গত ২৭ বছরেও সংগ্রহশালা তৈরির কোনও উদ্যোগ নিতে পারেনি মোহনবাগান৷ সে কারণেই ক্লাবকে দেওয়া ট্রফি, স্মারকগুলি ফিরে পেতে চিঠি দিয়েছিলেন গোষ্ঠ পালের পুত্র নীরাংশু পাল৷ অনেক টালবাহানার পর গচ্ছিত সবকিছুই ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেন কর্তৃপক্ষ৷ সেই মতো শনিবার সকালে মোহনবাগান ক্লাবে গিয়েছিলেন নীরাংশুবাবু৷ গিয়ে তিনি স্তম্ভিত হয়ে যান৷ প্রয়াত পিতা তথা কিংবদন্তি গোষ্ঠ পালের স্মৃতি চিহ্নগুলির দূরাবস্থায় তাঁর চোখে জল নেমে আসে৷ এরই মাঝে আরও এক দুঃসংবাদ পান৷ হদিশ নেই পদ্মশ্রী পদকটির৷ একেবারে ক্লাব থেকেই ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছে সেটি৷ ক্লাব যে সব স্মৃতি স্মারক ফিরিয়ে দিয়েছে তার বেশিরভাগই জরাজীর্ণ৷

আরও পড়ুন- অনাথ শিশুদের ডার্বি দেখার সুযোগ করে দিল মোহনবাগান

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।