ময়নাগুড়ি: বন্য জন্তুদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বহুদিন থেকেই নানা উদ্যোগ নিয়েছেন রাজ্য বন দফতর। কিছুদিন আগেই বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের শকুনের গলায় আধুনিক যন্ত্র বসিয়ে ওড়ানো হয়। এতে করে ওই জঙ্গলে আদৌ বাঘ আছে কিনা তা জানা যাবে। গরুমারা জঙ্গলে বসানো হয়েছিল এমনই এক যন্ত্র যার মাধ্যমে জানা যেত হাতির গতিবিধি।

মানুষের সঙ্গে হাতির সংঘাত লেগেই রয়েছে ডুয়ার্সের জঙ্গলে। এই উৎপাত কমাতে উদ্যোগী হয়েছিল বন দফতর। কয়েক মাস পরেই দেখা যাচ্ছে যন্ত্রগুলি উধাও। এমনই অভিযোগ সামনে আনল এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ওই সংগঠনের নাম স্ন্যাপ। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে বন দফতর ময়নাগুড়ি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

ওই এলাকায় বসানো হয়েছিল মোট ১৬ টি এলিফ্যান্ট ট্র্যাকিং ডিভাইস। তার মধ্যে আটটি চুরি হয়েছে এবং বাকিগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ। চুরি যাওয়া যন্ত্রের আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ টাকা। ওই যন্ত্রের সাহায্যে লোকালয়ের ২০০ মিটারের মধ্যে হাতি এলেই বেজে উঠত অ্যালার্ম।

এর ফলে হাতির গতিবিধি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছিল। হাতি এবং মানুষের সংঘাত কমেছিল। কিন্তু, যন্ত্রগুলি চুরি যাওয়ায় ফের অন্ধকারের মুখে চলে গেল গরুমারা জঙ্গল। বন বিভাগের এসিএফ জন্মেঞ্জয় পাল জানান, এখনও দোষীদের চিহ্নিত করা যায়নি।