নয়াদিল্লি: সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গুগল সিইও সুন্দর পিচাই জানিয়েছেন, তাঁর সংস্থার কর্মীরা ‘হাইব্রিড ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ ব্যবস্থায় কাজ করবে। কাজের এই নতুন মডেলটিতে অফিস ব্যবস্থা কিছু পরিবর্তন আনতে হবে দীর্ঘমেয়াদী কথা ভেবে। নিজ সংস্থার উপর করা এক সমীক্ষায় গুগল দেখেছে ‌, কর্মীদের মধ্যে ৬২ শতাংশ কাজ করার জন্য অফিসে ফিরতে চাইছে। তবে তারা প্রতিদিন অফিস যেতে চাইছে না।

সাক্ষাৎকারে পিচাই জানিয়েছেন, ভবিষ্যৎটা আরও নমনীয় করার কথা ভাবা হচ্ছে। তার অভিমত, একসঙ্গে থাকলে গোষ্ঠীর প্রতি অনুভূতি থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যখন কেউ একটা কঠিন সমস্যা সমাধান করছে‌ এবং নতুন কিছু সৃষ্টি করছে। মনে করা উচিত নয় ভবিষ্যৎটা পুরোপুরি দূরে রয়েছে। আরও নমনীয় এবং হাইব্রিড মডেল গড়া দরকার।

পিচাই জানিয়েছেন, গুগল এবার অফিসের জায়গাটাকে নতুন করে সাজাতে চাইছে যাতে কর্মীদের সেখানে জায়গা দেওয়া যায়। কর্মীরা বাড়ি থেকে কাজ করবে কিন্তু মাঝে মাঝে অফিসে আসতে হবে তাদের কাজ সম্পর্কে রিপোর্ট জানাতে। গুগল প্রথম সংস্থা যে ঘোষণা করেছিল ২০২১ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত বাড়ি থেকে কাজ চালানো হবে।

গুগুল-কর্তা আরও জানিয়েছেন, প্রথমে যখন এভাবে কাজ শুরু করা হল তখন তিনি বুঝতে পারছিলেন একটা বড় অনিশ্চিত সময়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে। ফলে শুরু করে দেখতে থাকেন ঝোঁকটা কোন দিকে এবং নিশ্চিত হতে থাকেন কোন দিকে যেতে হবে।

এই কারণেই পরের বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাড়ি থেকে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বুঝতে পারা যাচ্ছিল লোকজন চেষ্টা করছে পরিকল্পনা এবং উৎপাদনশীলতায় প্রভাব পড়েছিল।

টাইমসের ১০০ জন ক্ষমতাশালী লোকের তালিকায় পিচাই ছিলেন। তিনি তুলে ধরেন সানফ্রান্সিসকো বাস করা ভীষন ব্যয়বহুল। আর তাই তাকে বিস্মিত করে যখন তিনি লক্ষ্য করেন লোকজনকে শুক্রবারেও বাড়ি পরিবার বন্ধু-বান্ধবদের থেকে দু’ঘণ্টা দূরে থাকতে হয়। তারা ঠিকমতো পরিকল্পনা করতে পারেন না। ফলে বিকল্প আরো ভালো কিছু করার কথা ভাবতে হয় বলে তার মনে হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।