ক্যালিফোর্নিয়া: কিংবদন্তি অজি ক্রিকেট তারকা স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের ১১০ তম জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানাল গুগল৷ ঘড়ির কাঁটা অগস্টের ২৬ অতিক্রম করা মাত্রই বিশ্বব্যাপী গুগল ডুডলে ফুটে উঠল স্যার ডনের প্রতিকৃতি৷

আরও পড়ুন: ব্র্যাডম্যানের ব্লেজার বিক্রি হল ৯১,৪১০ ডলারে

শুধু অজি ক্রিকেটমহলেই নয়, বরং গোটা ক্রিকেটবিশ্বে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় স্যার ডন৷ ১৯০৮ সালের ২৭ অগস্ট নিউ সাউথওয়েলসের কুতামুন্দ্রায় জন্মগ্রহণ করেন৷ ১৯২৮ সালের ৩০ নভেম্বর ব্রিসবেনে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করা ব্র্যাডম্যান অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৫২টি টেস্ট খেলেছেন৷

আরও পড়ুন: জন্মদিনে দিলীপ সারদেশাইকে শ্রদ্ধা গুগলের

জ্যাক রাইডারের নেতৃত্বে কেরিয়ারের প্রথম টেস্টের দু’ইনিংসে ব্র্যাডম্যানের সংগ্রহ ছিল যথাক্রমে ১৮ ও ১ রান৷ ম্যাচটি ইংল্যান্ড ৬৭৫ রানের বিশাল ব্যবধানে জিতেছিল৷

কেরিয়ারের তৃতীয় ইনিংসেই হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন ব্র্যাডম্যান৷ তার পর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে৷ মেলবোর্নের প্রথম ইনিংসে ৭৯ রানে আউট হওয়া ডন দ্বিতীয় ইনিংসে ১১২ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন৷ অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটে শুরু হয় নতুন এক অধ্যায়ের৷

আরও পড়ুন: ব্র্যাডম্যানকেও টপকে গেলেন বিরাট

৫৬ টেস্টের বর্ণোজ্জ্বল কেরিয়ারে ব্র্যাডম্যান ৯৯.৯৪ গড়ে ৬৯৯৬ রান সংগ্রহ করেন৷ সেঞ্চুরি করেন ২৯টি৷ যার মধ্যে দ্বিশতরান ছিল ১২টি৷ ত্রিশতরান দু’টি৷ লিডসে সর্বোচ্চ ৩৩৪ রানের টেস্ট ইনিংস খেলেছিলেন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে৷ ৮০ ইনিংসের মধ্যে মাত্র ৭বার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন ব্র্যাডম্যান৷

আরও পড়ুন: ব্র্যাডম্যানের ব্যাট এল কলকাতায়

স্যার ডনের ব্যাটিং গড় ১০০ ছুঁয়ে ফেলত, যদি কেরিয়ারের শেষ ইনিংসে অন্তত ৪ রান করতেন তিনি৷ তবে ১৯৪৮ সালে ওভালে দু’বলে শূন্য রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি৷ ২৩৪টি প্রথম শ্রেনির ক্রিকেট ম্যাচে ৯৫.১৪ গড়ে ২৮০৬৭ রান সংগ্রহ করেন তিনি৷ ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে ১১৭টি সেঞ্চুরি ও ৬৯টি হাফসেঞ্চুরি রয়েছে তাঁর ঝুলিতে৷ সর্বোচ্চ ইনিংস অপরাজিত ৪৫২ রানের৷

আরও পড়ুন: অশ্বিন বোলিংয়ে ‘ব্র্যাডম্যান’: স্টিভ

স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান বলে বিবেচিত হন স্যার ডন ব্র্যাডম্যান৷ ২০০১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি অ্যাডিলেডে নিজের বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তি এই ক্রিকেটার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.