নয়াদিল্লি: নারী দিবস উপলক্ষে নতুন উদ্যোগ নিল গুগল। সোমবার আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিন উইমেন উইল (Women Will) নামে একটি ইভেন্টে লঞ্চ করা হয়। গুগল ফর ইন্ডিয়ার এই ইভেন্ট ভার্চুয়াল সংস্করণে প্রকাশ করা হয়। মহিলা উদ্যোক্তাদের সমর্থন করতে এর মাধ্যমে একাধিক প্রচেষ্টার ঘোষণা করেছে সংস্থা।

সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে NASSCOM ফাউন্ডেশনকে ৫ লক্ষ ডলার দেওয়া হবে। কৃষিকাজ করে এমন ১ লক্ষ মহিলার স্বাক্ষরতা অভিযানে ডিজিটালি ও আর্থিকভাবে সাহায্য করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের ৬টি রাজ্য- বিহার, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান, উত্তরাখণ্ড ও উত্তর প্রদেশে মহিলাদের শিক্ষিত করতে এই টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া উইমেন উইল ওয়েব প্ল্য়াটফর্ম গ্রামের মহিলা যারা ব্যবসা করতে চায় তাদের সাহায্য করবে। তাদের প্রোমোট করার কাজও করবে সংস্থা। google.org এর তরফে এও জানানো হয়েছে, ভারতের NGO ও সোশ্যাল অরগানাইজেশনগুলিতে ২৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হবে। মহিলাদের আর্থিকভাবে উন্নতি করতে এই টাকা কাজে লাগানো হবে।

এ বছর আন্তর্জাতিক নারী দিবসে গুগল পে বিজনেস পেজ চালু করার ঘোষণা করেছে। এর ফলে মহিলারা সহজেই তাদের পণ্য এবং পরিষেবাগুলির ক্যাটালগ তৈরি করতে পারবে। URL এর মাধ্যমে এটি সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে। ভার্চুয়াল এই ইভেন্টটি টাটা ট্রাস্টের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হচ্ছে। সারা ভারতে মহিলাদের উদ্যোগকে সাহায্য করতে ও ইন্টারনেট সাথী প্রোগ্রামের সাহায্যে ডিজিটাল স্বাক্ষরতা অভিযান চালাবে। এই কর্মসূচিটি ভারতের ৩ লক্ষ গ্রাম জুড়ে চলানো হবে।

গুগল এবং এলফাবেটের সিইও সুন্দর পিচাই একটি বিবৃতিতে বলেছেন, “ইন্টারনেট সাথী প্রোগ্রামের সাফল্য দেখিয়েছে যে ডিজিটাল অ্যাক্সেস এবং ডিজিটাল সাক্ষরতা অভিযান কীভাবে মহিলাদের তাদের জীবনযাত্রাকে উন্নত করতে পারে। মহিলাদের কাছে যখন সমান সুযোগে থাকবে তখনই আমরা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি, সৃজনশীলতা এবং দক্ষতা থেকে উপকৃত হতে পারব। সমগ্র বিশ্বজুড়েই এটি সত্য। কিন্তু তা সত্ত্বেও যখন সুযোগের কথা আসে তখন অসাম্য তৈর হয়। আমরা ভারতের গ্রামে ১০ মিলিয়ন মহিলাকে ব্যবসায়ের টিউটোরিয়াল, সরঞ্জাম এবং পরামর্শের মাধ্যমে উদ্যোক্তা সাহায্য করব।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।