ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: পণ্য পরিবহন পরিসেবায়যুক্ত সংস্থাগুলির সংগঠন সরকারের কাছে জিএসটি , রোড ট্যাক্স ইত্যাদি জমা করার সময় বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছে। কারণ তাদের আশঙ্কা এই লক ডাউনের‌ সময় অযথা জরিমানা ইত্যাদি করে ট্রাক চালকদের হয়রানি করতে পারে।

অল ইন্ডিয়া মোটর ট্রান্সপোর্ট কংগ্রেসের সভাপতি কুলতারান সিং অটওয়াল‌ জানিয়েছেন, কেন্দ্র ন্যাশনাল পারমিট-এর সময়সীমার ক্ষেত্রে নিয়ম বিধি শিথিল করেছে যেমন তেমনই অনুরোধ জানানো হয়েছে যাতে সরকার রোড ট্যাক্স জমা করার ব্যাপারে সময়সীমা বাড়ায়। ই- ওয়েবিল সংক্রান্ত ইস্যুগুলিও মেটানো দরকার। তবে সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল ট্রাকের ক্ষেত্রে জোর করে টাকা আদায় বা জরিমানা নেওয়া হচ্ছে‌ যখনই ট্রাক চলতে শুরু করছে।

অন্যদিকে উদ্বেগের বিষয় হলো, বিমা প্রিমিয়াম, গুডস ট্যাক্স, রোড ট্যাক্স ইত্যাদি। এ কথাগুলির পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে গড়ে প্রতিদিন তাদের ক্ষতি হচ্ছে ২০০০ কোটি টাকা। জিএসটির অধীনে থাকা ট্রান্সপোর্টটারদের পণ্য পরিবহন করার সময় ই-ওয়ে বিল সঙ্গে রাখতে হয়। তিনি আরও জানান, এই পরিষেবায় যুক্ত ৮৫ শতাংশের বেশি খুবই ছোট অপারেটর যাদের এক থেকে পাঁচটি ট্রাক রয়েছে। আর যেই তাদের গাড়ির চাকা থেমে যাবে তখনই তাদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাবে।

এই লকডাউন চলাকালীন এইসব ট্রান্সপোর্টারদের কোনও‌ ব্যবসা বা আয়‌ কিছুই হচ্ছে না। বর্তমান ব্যবসার সঙ্কট কালে আবার এই করোনা মোকাবিলার জন্য লক ডাউন করায় পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে গিয়েছে। এর ফলে তাদের পক্ষে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এইসব রোড ট্যাক্স, গুডস ট্যাক্স ইত্যাদি জমা করা কঠিন বলে তিনি যুক্তি দেখিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নীতিন গড়করির কাছে তারা চিঠি পাঠিয়েছেন।

এর পাশাপাশি এই সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করে অভিযোগ করেছেন সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রীর কাছে , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশিকা একেবারে নিচু স্তরে না এসে পৌঁছনয়, ট্রাক অপারেটররা চাইলেও গাড়ি চালাতে পারছে না। বহু রাজ্যের সীমানায় ট্রাক আটকে দেওয়া হয়েছে বলে তাদের কাছে খবর এসেছে। বিশেষত দিল্লি হরিয়ানা উত্তরপ্রদেশ সীমানায় এইভাবে ট্রাক থামিয়ে দেওয়ার কথা তারা জানতে পেরেছেন।

ওই অবস্থায় ড্রাইভাররা না পাচ্ছে থাকার জায়গা না পাচ্ছে খাবার রসদ। লকডাউনের ফলে গোটা দেশে প্রায় ছয় লক্ষ ট্রাক দাঁড়িয়ে পড়েছে। যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন, তাতে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হোক বা না হোক ওই ট্রাকগুলিকে যেন এই লক ডাউনের সময়ে ও যেতে দেওয়া হয়।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব