অনেক মানুষ আছেন যারা মোবাইল ফোন কিনতে পছন্দ করেন। বিভিন্ন সময়ে নতুন ধরণের ফোন কেনার জন্য টাকাও জমান। এই সকল মানুষদের জন্য আসতে চলছে সুখবর। জানা গিয়েছে, আসন্ন বাজেটে মোদী সরকার মোবাইল আমদানির উপরে শুল্ক ২০ শতাংশের মধ্যেই রাখতে চলেছে।

জানা গিয়েছে, ২০১৪-১৫ সালের মোবাইল হ্যান্ডসেটের তৈরির পরিমাণ ছিল ১৮,৯০০ কোটি টাকা( ছয় কোটি ইউনিট) যা ২০১৮-১৯ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১,৭০,০০০ কোটি টাকা( ২৯ কোটি ইউনিট)। এছাড়াও জানা গিয়েছে,  প্রায় সব ধরণের বিদেশী মোবাইল কোম্পানি যেমন নোকিয়া, ওপ্পো, স্যামসং,শাওমি সকলেই ভারতে নিজস্ব অফিস তৈরি করেছে যেখানে শুধুমাত্র মোবাইল যন্ত্রাংশ লাগানোই হবে না পাশাপাশি নতুন মোবাইল বানানো হবে।

টেলিকম মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ জানিয়েছেন, ভারতে আইফোন তাঁদের নিজস্ব কোম্পানির বিস্তার করবে এবং বিদেশে নয় এদেশেই এই বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় ফোনের সব ধরণের কাজ হবে। ২০১৮-১৯ বাজেটে মোবাইল ফোনের উপর শুল্কের হার ১৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০ শতাংশ হয়েছিল।

বিভিন্ন আমদানিকৃত ইলেকট্রনিক জিনিসের উপরে শুল্ক চাপানোর বিষয় হ্যান্ডসেট মেকারদের তরফ থেকে জানা গিয়েছিল। আর তাই মোবাইল সহ বেশ কিছু জিনিসের উপরে শুল্ক চাপানো হয়েছিল। মূলত স্থানীয় ব্যবসায়িক বৃদ্ধি ও রফতানির জন্য শুল্ক চাপানোর বিষয়টি করা হয়েছিল।

সরকার হাফ ডজনেরও বেশি জিনিস আমদানিতে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক এবং সম্পূর্ণ তৈরি ফোনে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল। গত কয়েক বছরে, সেলুলার হ্যান্ডসেটগুলি সহ বৈদ্যুতিন সামগ্রীর ক্ষেত্রে দেশীয় উত্পাদন প্রযুক্তির প্রচারের জন্য শুল্ক কাঠামো সহজ করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে মোবাইল হ্যান্ডসেট এবং তাদের বিভিন্ন অংশ উত্পাদনগুলিতে দেশীয় প্রযুক্তির প্রচারের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। ফলস্বরূপ, ভারত দ্রুত এই খাতে বিনিয়োগ করতে শুরু করে এবং বিগত চার বছরে উল্লেখযোগ্য হারে এই ক্ষেত্রে উত্পাদন সক্ষমতা তৈরি হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ