মস্কো: এমবাপে, গ্রিজমানরা যখন স্বপ্নপূরণের আনন্দে লুজনিকির একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে দৌড়ে বেড়াচ্ছিলেন, ঠিক সেই সময় স্বপ্ন ভাঙার যন্ত্রণা নিয়ে একা দাঁড়িয়েছিলেন মদ্রিচ৷

আরও পড়ুন: টুর্নামেন্টের সেরা মদ্রিচ, সেরা উঠতি ফুটবলার এমবাপে

গ্রুপ পর্যায় থেকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পর্যন্ত সব কটি ম্যাচ জিতে লুজনিকির বিশ্বকাপ ফাইনালে পা রেখেছিল ক্রোয়েশিয়া৷ বিশ্বকাপের প্রতিটা ম্যাচেই প্রশংসিত হয়েছে ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক মদ্রিচের খেলা৷ দলনায়কের উপর আস্থা রেখেই প্রথমবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখেছিলেন ক্রোটরা৷ খুব কাছে এসেও বিশ্বকাপ স্পর্শ করতে পারলেন না ক্রোট অধিনায়ক৷ বিশ্বকাপ না জিতলেও গোল্ডেন বল জেতেন মদ্রিচ৷ তবে বিশ্বকাপের ট্রফির সামনে এই পুরস্কারকে সান্ত্বনা পুরস্কার বলেই মনে হয়েছে তাঁর৷

আরও পড়ুন: থ্রিলার ফাইনাল হেরে ‘ট্র্যাজিক’ নায়ক ক্রোটরা

ক্রোয়েশিয়ার ১০ নম্বর জার্সিধারি টুর্নামেন্টের সেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছেন৷ ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপে এই খেতাব জিতেছিলেন এলএম টেন৷ আর্জেন্তিনার সর্বকালের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড মেসি তথা এলএম টেন৷ এবার জিতলেন ক্রোয়েশিয়ান লুকা মদ্রিচ, নাম-পদবির আদ্যাক্ষর ও জার্সি নম্বর মিলিয়ে যাঁকেও এলএম টেন বলে অখ্যা দেওয়া যায়৷

গোল্ডেন বল জেতার পর ক্রোট অধিনায়ক বলেন, ‘এই পুরস্কার অবশ্যই গর্বের৷ তবে এটা বিশ্বকাপ নয়৷ আমরা বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলাম৷ পুরো টুর্নামেন্টে আমরা ভালো খেলেছি৷ কিন্তু কখনও কখনও ভালো খেলা দলও ট্রফি জেতে না৷’

আরও পড়ুন: বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হলে ভদ্র পোশাকে মদ্রিচদের সম্মান জানাবেন ক্রোট মডেল

এরপর বিশ্বকাপ না পাওয়ার আক্ষেপ থেকে মদ্রিচ যোগ করেন, ‘আমি ক্রোয়েশিয়ার জন্য বিশ্বকাপ জিততে চেয়েছিলাম৷ সেটা হয়নি, এটাই সত্যি৷ গোলেন্ড বল আমাদের জন্য নিতান্ত সান্ত্বনা পুরস্কার৷’

মদ্রিচের আগেও বেশ কয়েকজন কিংবদন্তি ফুটবলার বিশ্বকাপ হাতছাড়া করে গোল্ডেন বলেই সান্ত্বনা পেয়েছেন৷ তালিকায় অবশ্যই থাকবেন অলিভার কান, জিনেদিন জিদান, দিয়েগো ফোরলান এবং লিও মেসি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।