কলকাতা: চুল নিয়ে নানা জনের নানা সমস্যা। কারুর চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা। আবার কেউ ভুগছেন পাকা চুল নিয়ে। আবার চুল না বাড়াটাও একটা বড়ো সমস্যা। কিন্তু আপনি এই সমস্যা নিজেই ডেকে আনছেন তা কি জানেন? সকালে অফিসের তাড়া থাকায় কোনোমতে চুল ধুয়ে না আঁচড়িয়ে বা শুকিয়েই বেরিয়ে যাচ্ছেন। আবার বাড়িতে থাকলেও দীর্ঘক্ষণ চুল শুকাচ্ছে না। এতেই হচ্ছে নানা সমস্যা। জৌলুসহীন হয়ে পড়ছে আপনার এককালের পালকের মতো মসৃন কেশরাশি।

 

১. বাড়িতে থাকলে আপনি ভিজে চুলেই দুপুরের ভাত খেয়ে শুয়ে পড়ছেন। বালিশের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ চুলের ঘষা লাগছে। এতে চুল ভঙ্গুর প্রকৃতির হয়ে যাচ্ছে সহজেই। চুলের ডগা আলগা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আরো পোস্ট- রোজ ডায়েটে ঘি….পান ৫টি উপকার

২. চুল পড়ার পরিমাণ দিন দিন বেড়ে যাওয়ার কারণ হলো চুল না শুকানো। আপনি ভেজা চুল নিয়ে বালিশে মাথা দিলেই তাতে বালিশের সঙ্গে নানাভাবে বারবার ঘর্ষণ হচ্ছে চুলের। ফলে আপনার একরাশ চুলের শুরুর অংশগুলি ফেটে যেতে পারে।

 

৩. ভেজা চুলে অনেকক্ষণ কাটালে আবার সর্দি-কাশির সমস্যাও হতে পারে। এতে জ্বরও আসতে পারে আপনার।

৪. আবার খোলা চুলে বাইরে বেরোলেই তাতে বাইরের ধূলিকণা, গাড়ির ধোঁয়া, রাস্তার ময়লা বসে যেতে পারে এটাও মাথায় রাখতে হবে। কারণ এর ফলে চুলের ভেতরটাও তাড়াতাড়ি নোংরা হয়ে যাবে। ফলস্বরূপ, রুক্ষতা আসবে চুলে।

 

৫. চুল দীর্ঘক্ষণ ভিজে অবস্থায় রেখে দিলে ফাঙ্গাল ইনফেকশন ছড়িয়ে যায় মাথায় তাড়াতাড়ি। ফলে এর থেকেই জন্ম নেয় খুশকি। খুশকি যে শুধু চুলের জন্যে খারাপ তা নয়, এটি ঝরে ঝরে মুখে এসে পড়লে ত্বকে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা ও বড়ো রোগ।

৬. ভিজে চুল থেকে হওয়া ব্যাকটেরিয়া খুব তাড়াতাড়ি প্রভাব বিস্তার করতে পারে গোটা মাথায়। ফলে একদিকে যেমন চুল পড়া বাড়বে, অন্যদিকে চুলে বাজে গন্ধ হয়ে যাবে গোড়ার দিকে। শরীরের উষ্ণতা ও মাথার আর্দ্রতা মিলেমিশে ব্যাকটেরিয়া বংশ বিস্তার করতে সময় লাগে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.