বেঙ্গুলুরু: ভারত যে নগদহীন সমাজ গড়তে চলেছে তাতে বেশ কিছু নিজস্ব জটিলতা রয়েছে কিন্তু গোটা দেশের ৭৫ কোটি মানুষকে একেবারে ডিজিটাল ওয়ালেটে অভ্যস্ত করাতে মাস ছয়েক লাগবে৷ এমনই ধারণা ইনফোসিসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তথা ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অব ইন্ডিয়া (ইউআইডিএআই)-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান নন্দন নিলেকানি৷

বর্তমানে এ দেশে তো নগদে চলা অর্থনীতি, ফলে সরকারকে নীতি নির্ধারকের পাশাপাশি মালিকানা এই দ্বৈত ভূমিকা নিতে হবে কারণ একদিকে সরকার নোট ছাপে অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের দখলেই রয়েছে সিংহ ভাগ ব্যাংক পরিষেবা৷ কিন্তু ডিজিটাল অর্থনীতিতে পদার্পন করলে পুরনো নিয়মের শিথিল হবে যেহেতু সংস্থাগুলি লেনেদেনের জন্য কোনও চার্জ নেবে না৷ তথ্যের বিনিময়ে উপার্জন করবে যাতে সকলের জন্য  পেমেন্ট ব্যবস্থা সুলভ হয়৷ যেমন গুগল অথবা ফেসবুকের মতো সংস্থা করছে৷
এই পরিস্থিতে একই সঙ্গে ইউআইডিএআই-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান আর্জি জানিয়েছেন বিভিন্ন সংস্থাকে দ্রুত সমাধানের পথ বের করে আনতে৷তার মতে এই জটিল পরিস্থিতিতে সকলে একসঙ্গে কাঁধে কাধ মিলিয়ে কাজ করলে ছয় বছরের কাজ ছয় মাসে নেমে আসতে পারবে৷ বর্তমানে ভারতের ১০০ কোটির আধার কার্ড রয়েছে এবং  তারমধ্যে প্রায় ২৫ কোটির ডিজিটাল ওয়ালেট-র সঙ্গে সংযোগ রয়েছে৷ তিনি জানান, তাঁর হিসেব অনুসারে ৩৫ কোটি লোকের হাতে রয়েছে ‘ফিচার ফোন’এবং তাদের কাছে পৌঁছতে একমাত্র উপায় হল ইউএসএসডি প্রযুক্তি৷ তবে এক্ষেত্রে নিয়মের বেড়া থাকবে যা নতুন প্রজন্মের ওয়ালেটকে বাজারে আসতে বাধা সৃষ্টি করবে৷ইউএসএসডি প্রযুক্তি হল এমন প্রোটোকল যা জিএসএম সেলুলার টেলিফোনে যা ব্যবহার করা হয় পরিষেবা প্রদানকারীর কম্পিউটারে পেমেন্টের জন্য, যা অনেটাই ওটিপি পিনের মতোই৷লিনেকানি জোর দিতে চেয়েছেন, সরকারকে যাতে   নীতিগত ভাবে নজর দেয় নতুন ব্যবস্থা সমাজের সমস্ত স্তরকে ছুয়ে যায়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I