নয়াদিল্লি: গডসেকে নিয়ে মন্তব্যে এবার কৈলাস সত্যার্থীর রোষের মুখে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা। গান্ধীর হত্যাকারীকে দেশপ্রেমী বলায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন নোবেলজয়ী সত্যার্থী।

ট্যুইটে তিনি বলেছেন, ‘গডসে গান্ধীকে হত্যা করেছিলেন। আর গান্ধীজির আত্মা তথা শান্তি, অহিংসা ও সহিষ্ণুতাকে হত্যা করলেন সাধ্বী প্রজ্ঞা।’ তিনি আরও লিখেছেন যে, গান্ধীজি সব দল ও রাজনীতির উর্দ্ধে। তাঁর দাব বিজেপি যেন ক্ষুদ্র স্বার্থের উর্দ্ধে গিয়ে এই ধরনের মানুষকে দল থেকে বিহিষ্কার করা উচিৎ ও রাজধর্ম পালন করা উচিৎ।

সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা গান্ধীর হত্যাকারীকে ‘দেশপ্রেমিক’ বলে সম্বোধন করেন। তাঁর দাবি নাথুরাম গডসে একজন সাচ্চা দেশপ্রেমিক৷ বরাবরই তিনি দেশপ্রেমী ছিলেন ও ভবিষত্যেও থাকবেন৷

যদিও নাথুরাম গডসে বিতর্কে প্রজ্ঞা ঠাকুরের পাশে এসে দাঁড়ায়নি বিজেপি৷ তাঁকে ক্ষমা না করার কথা জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ শুক্রবার এক টিভি চ্যানেলের সঙ্গে সাক্ষাতকারে মোদী স্পষ্টতই বলে দেন, মহাত্মা গান্ধীকে অপমান করেছেন প্রজ্ঞা ঠাকুর৷ তাঁকে আমি ক্ষমা করতে পারব না৷

ট্যুইট করে অমিত শাহ জানান, বিজেপির সঙ্গে ওই মন্তব্যের কোনও সম্পর্ক নেই৷ ওগুলি প্রজ্ঞা ঠাকুর, অনন্ত হেগড়ে ও নবীন কাটিলের নিজস্ব মতামত৷ যদিও সেই মন্তব্যের জন্য তাঁরা ক্ষমা চেয়ে নেন৷ তবে দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাদের মন্তব্য নিয়মশৃঙ্খলা কমিটিতে পাঠানো হবে৷ সেই কমিটি এই তিন নেতার সঙ্গে কথা বলে ১০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেবে দলকে৷

কিছুদিন আগে নাথুরাম গডসেকে ‘স্বাধীন ভারতের প্রথম হিন্দু সন্ত্রাসবাদী’ বলে মন্তব্য করেন কমল হাসান৷ সেই মন্তব্যে কম হইচই হয়নি৷ বৃহস্পতিবার এই নিয়ে সাধ্বী প্রজ্ঞার প্রতিক্রিয়া চাওয়া হয়৷ তখনই তিনি বলেন, ‘‘নাথুরাম গডসে দেশপ্রেমী ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন৷’’