নয়াদিল্লি: ভারতে উত্তরোত্তর ব্যাপক হারে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় পর্যটকদের কৈলাসা দ্বীপে ভ্রমনে আসার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন স্বঘোষিত ‘গডম্যান’ নিত্যানন্দ। ভারতীয় পর্যটকদের পাশাপাশি ব্রাজিল, ইউরোপ, মালয়েশিয়ার পর্যটকদেরও কৈলাসাতে আসতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।এই নির্দেশ খোদ দেশের প্রেসিডেন্ট নিত্যানন্দ নিজে দিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। এই নির্দেশ বলছে, পরবর্তী নোটিস যতক্ষণ না পর্যন্ত আসছে, ততক্ষণ কোভিড সংক্রান্ত এই নয়া বিধি লাগু থাকবে।

সর্বশেষ বিবৃতিতে তিনি লিখেছেন, “কৈলাসের এই ডি ফ্যাক্ট দূতাবাসগুলির সঙ্গে যুক্ত সমস্ত কৈলাসবাসী, একাইলেসিয়ানবাসী, স্বেচ্ছাসেবীরা যেন কোয়ারেন্টাইনে থাকে এবং স্থানীয় আইন অনুযায়ী সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।”

২০১৯ সাল থেকে নিত্যানন্দ ইকুয়েডরের উপকূলে অবস্থিত একটি দ্বীপে আত্মগোপন করছেন। শোনা গিয়েছিল ইকুয়েডরে তিনি একটি গোটা দ্বীপ কিনে ফেলেছেন। শুধু তাই নয়, সেই দ্বীপের নাম রেখেছেন ‘কৈলাসা’! সেটাকেই তিনি নিজের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছেন। শুধু তাই নয়, সেই দ্বীপের পতাকা, পাসপোর্ট, এমব্লেম সবই নাকি তৈরি করেছেন। সেখানে তিনি একজন প্রধানমন্ত্রীও নিয়োগ করবেন বলে জানা গিয়েছিল।সেই থেকে নিত্যানন্দ কৈলাসাকে পৃথক দেশ হিসাবে ঘোষণা করার জন্য জাতিসংঘের কাছে আবেদন করেছিলেন। দ্বীপ সম্পর্কে ওয়েবসাইটটিতে বলা আছে, “কৈলাসা হ’ল এমন একটি দেশ যেখানে নিজের দেশে হিন্দুধর্মের সত্যতাচর্চা করার অধিকারকে হারিয়েছে তারা এখানে এসে হিন্দু ধর্ম চর্চা করেন।”

পলাতক স্বামী নিত্যানন্দের বিরুদ্ধে কর্নাটকে একটি ধর্ষণের মামলা রয়েছে। এর পাশাপাশি তাঁর অমদাবাদের আশ্রমে ছোট ছেলেমেয়েদের আটকে রেখে অত্যাচার করার অভিযোগ রয়েছে। ছোট ছেলেমেয়েদের জোর করে টাকা সংগ্রহের কাজে লাগানো হত বলে অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরও করা হয়। নিত্যানন্দের দুই শিষ্যা প্রাণপ্রিয়া ও প্রিয়াতভাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতারও করে পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.