সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পা এখনও সম্পূর্ণ সেরে ওঠেনি। প্রতিদিন যে সব জনসভা হচ্ছে, তার চিত্র সেই কথাই বলছে। রাজ্য রাজনীতির আইকনিক চিত্র এখন এটাই। তৃণমূল বলছে ‘ভাঙা পা খেলা হবে’ আর বিরোধীরা তা নিয়ে প্রতিদিন নানারকম আক্রমণ শানিয়ে যাচ্ছেন। একটা আইকনিক ছবি যে হয়ে গিয়েছে এই পায়ের চোট তা স্পষ্ট।

এবার সেই চিত্র দেখা গেল উঠে এসেছে ‘যেমন খুশি সাজো’ প্রতিযোগিতায়। একদম টিম ওয়ার্ক। দেখা যাচ্ছে একটি মেয়ে ঠিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতোই হুইল চেয়ারে বসে রয়েছেন। পিছনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন তাঁর নিরাপত্তারক্ষী ও বাকি নেতা নেত্রীরা। সেই পা নিয়েই তিনি এগিয়ে চলেছেন। কিন্তু কোথাকার এই চিত্র তা বোঝা যায়নি। প্রসঙ্গত কবে হুইল চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সম্প্রতি এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, নির্বাচন শেষ হলেই উঠে দাঁড়াবেন তিনি।

দিলীপ ঘোষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুইল চেয়ার এবং পায়ে আঘাত নিয়ে আগেও কটাক্ষ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন,” শাড়ি হল শালীনতার প্রতীক। কিন্তু শাড়ি পরেই তিনি পা দেখিয়ে যাবেন, সেটা ঠিক নয়। প্রসঙ্গত দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, পা দেখাতে চাইলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাড়ি নয়, বারমুডা পরা উচিত।” যা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়।

১০ মার্চ হলদিয়ায় মনোনয়ন পেশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর নন্দীগ্রামে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর সন্ধেয় বিরুলিয়া বাজারে নিজের গাড়ির দরজায় ভিড়ের চাপে পায়ে ও ঘাড়ে আঘাত লাগে তাঁর। সেই সময় থেকেই তিনি এই ঘটনায় বিজেপিকে দায়ী করেছিলেন। বিজেপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেছিলেন তিনি। তবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়ার রিপোর্টে তেমন কোনও মন্তব্য করা হয়নি। পায়ে আঘাত লাগার দিনই তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। দুদিন পরেই তিনি বাড়ি যান। এবং হুইল চেয়ারেই প্রচার শুরু করে দেন। তবে এরই মধ্যে তিনি বলেছেন, এক পায়ে বাংলা দখল এবং দুপায়ে দিল্লি দখল। যদিও এরই মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জাতীয় সঙ্গীত চলায় সময় উঠে দাঁড়াতে দেখা যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।