নয়াদিল্লি: করোনা ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারন করেছে বিশ্বে। ১৮৩ টি দেশে ছরিয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার মানুষের। আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যেই পার করে ফেলেছে ১২ লক্ষ।

ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে ইউরোপ। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মুহূর্ত কাটাচ্ছে আমেরিকা। সেখানে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৯ হাজার মানুষের। প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ক্রমেই খারাপ হচ্ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশের অবস্থা। শেষ ২৪ ঘন্টায় নতুন করে মৃত্যু হল আরও ১২০০ জনের। যা চিন্তার ভাঁজ বাড়াচ্ছে ট্রাম্পের কপালে।

জানা গিয়েছে, মারণ করোনা গত বছর ডিসেম্বর মাসের শেষদিকে চিনের উহান প্রদেশে প্রথম ছড়িয়ে পড়েছিলো। আর সেই সময় উহান প্রদেশ সহ চিনের বিভিন্ন অংশ থেকে প্রায় ৪ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন নাগরিক বিমানে করে আমেরিকা এসেছিলেন। ফলে চিন সেই সময় ভাইরাস সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য চেপে যাওয়ায় এই ৪ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন নাগরিকদের কোনও রকম পরীক্ষা নিরিক্ষা ছাড়াই দেশে প্রবেশ করানো হয়েছে। রবিবার আমেরিকার নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত তথ্যে নতুন এই খবর জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনিই প্রথম কোনও দেশের প্রধানমন্ত্রী যিনি এই ভাইরাসে আক্রান্ত হন। এর আগে ব্রিটিশ রাজ পরিবারের যুবরাজ প্রিন্স চার্লসের শরীরে এই সংক্রমণ ধরা পড়ে। আপাতত তিনি সুস্থ হয়ে গিয়েছেন।

ব্রিটেন জুড়ে ১১ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত। তার মধ্যে ৫৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশের এই কঠিন পরিস্থিতিতে ভিডিও কলের মাধ্যমে তিনি কাজকর্ম সারবেন বলে জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই ব্রিটেনে জারি হয়েছে লকডাউন।

স্পেনে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১২৬৪১ জনের। ইতালিতে সংখ্যাটা ১৫৮৮৭। আর মার্কিন মুলুকে মৃতের সংখ্যা ৯৬৩৭।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।