ফাইল ছবি

প্যারিস: বিশ্বজুড়ে বাড়ছে করোনার ভয়। সারা পৃথিবীতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ১৯ মিলিয়ন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৭ লক্ষের বেশি মানুষের। অবস্থা এমন যে ইউরোপীয় দেশগুলি সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাক্কার আশঙ্কায় নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর করছে।

বিশ্বজুড়ে পাওয়া তথ্য বলছে লাতিন আমেরিকা ও ভারতে ক্রমেই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে এবং আফ্রিকা মহাদেশ ছুঁয়ে ফেলেছে করোনার নতুন মাইলস্টোন। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে এক মিলিয়নে।

মোট ৭ লক্ষ মৃতের মধ্যে শুধুমাত্র ইউরোপেই মোট মৃত্যু পেরিয়ে গিয়েছে ২ লক্ষের গণ্ডি। অন্যদিকে আফ্রিকায় মোট সংক্রমণের মধ্যে অর্ধেকের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকাতে। বিশ্বে আমেরিকা, ব্রাজিল, ভারত এবং রাশিয়ার পরেই করোনা সংক্রমণের নিরিখে ৫ নম্বরে অবস্থান করছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা হয়েছে আমেরিকায়। সেখানে মৃত্যু হয়েছে ১ লক্ষ ৬০ হাজারের বেশি মানুষের। এরপরেই সবচেয়ে মৃত্যু সংখ্যার দেশ হল ব্রাজিল। সেখানে মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষের কাছাকাছি। ভারত সংক্রমণের নিরিখে তৃতীয় হলেও, করোনায় মৃত্যু সংখ্যা এদেশে অনেক কম।

অন্যদিকে এই সংকটে আশার আলো দেখাচ্ছে ‘মডার্না’-র ভ্যাক্সিন। মার্কিন সংস্থা ‘মডার্না’র দাবি, সংস্থার ভ্যাক্সিন ইঁদুরের উপর প্রয়োগ করে দেখা গিয়েছে তা ভাইরাস রুখতে সক্ষম।

এছাড়া ভ্যাক্সিন প্রায় তৈরি, একথা আগেই জানিয়েছিল রাশিয়া। এবার মস্কোর তরফ থেকে পরিকল্পনা করা হয়েছে যে, অক্টোবরেই ভ্যাক্সিন দেওয়া হবে। মাস ভ্যাক্সিনেশন অর্থাৎ বহু মানুষকে একসঙ্গে ভ্যাক্সিন দেওয়ার পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।