মেলবোর্ন: দীর্ঘদিনের বান্ধবী ভিনি রামনের সঙ্গে বাগদান সারলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল৷ বুধবারই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত বাগদত্তার সঙ্গে নিজের ছবি পোস্ট করে অজি অল-রাউন্ডার নিজের আঙটি বদলের কথা জানান৷

ইনস্টাগ্রামে ভিনির সঙ্গে নিজের ছবি পোস্ট করেন ম্যাক্সওয়েল৷ ছবিতে ভিনির আঙুলে জ্বলজ্বল করছে এনগেজমেন্ট রিং৷ ছবির ক্যাপশনেও ম্যাক্সওয়েল শুধুমাত্র একটি আঙটির ইমোজি ব্যবহার করেন৷ অর্থাৎ একটি ইমোজিতেই তিনি নিজের বাগদানের খবর জানিয়ে দেন অনুরাগীদের৷

আরও পড়ুন: ক্রিকেট ছেড়ে চাষ করছেন ধোনি, ভিডিওয় নিজেই জানালেন ক্যাপ্টেন কুল

ভিনিও নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে দু’জনের ছবি পোট করেন এবং ক্যাপশনে লেখেন, ‘গত সপ্তাহে আমার প্রিয় মানুষটি আমাকে জিজ্ঞাসা করে তাঁকে বিয়ে করতে চাই কি না৷ হ্যাঁ৷’

কনুইয়ের চোটের জন্য ম্যাক্সওয়েল আপাতত জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন৷ ডাক্তাররা তাঁর বাঁ-কনুইয়ে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিয়েছেন৷ সঙ্গত কারণেই ম্যাক্সওয়েলকে চলতি দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য বিবেচনা করেননি অজি নির্বাচকরা৷ এই চোটের জন্য ম্যাক্সওয়েলকে ছয় থেকে আট সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হবে৷

আরও পড়ুন: ইনিংসে ১০ উইকেট, কুম্বলের কীর্তি ছুঁলেন দেশের মহিলা ক্রিকেটার

কিছুদিন আগেই ম্যাক্সওয়েল জাতীয় দল থেকে মেন্টাল হেলথ ব্রেক নিয়েছিলেন৷ গ্লেন জানান যে, তাঁর মধ্যে কিছু পরিবর্তন প্রথম লক্ষ্য করেন তাঁর বান্ধবীই৷ ভিনিই তাঁকে পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার৷ ম্যাক্সওয়েল ভিনির প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপণ করেন কঠিন সময়ে তাঁর পাশে থাকার জন্য৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।