কলকাতা: সন্তান প্রসব ও প্রতিপালন উপলক্ষে গর্ভকালীন ছয় মাসের ছুটি যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায়। লম্বা ছুটি পেয়ে ভেবেছিলেন অনাগত সন্তানকে অনেক সময় দিতে পারবেন। সন্তান জন্ম নেওয়ার পর সেই ছুটি কোথা দিয়ে যে শেষ হয়ে গেল তা বুঝে ওঠার আগেই আবার কর্ম জীবমনে ফিরে যাওয়ার সময় হাজির হয়। অফিসের পোশাক পরতে দেখলেই মেয়ে এসে কান্না জুড়ে দেয় কিন্তু অফিস তো সেই কান্না শুনবে না।

তারপরের দীর্ঘ ৮-৯ ঘন্টা সন্তানকে ছাড়া থাকা মা-বাবার পক্ষে যেমন চিন্তার বিষয় তেমন সন্তানের পক্ষে সেটা তার চেয়েও বেশি কষ্টের। তবু বাস্তবতা মেনেই সন্তানকে যতটুকু সম্ভব সময় দেওয়ার চেষ্টা করেন মা-বাবা। তবে সেই সময়ের মধ্যে থেকেই সন্তানের সঙ্গেও সময় কাটানো যায় মা-বাবা চাইলে। দরকার একটু বুদ্ধির।

১. অফিসের ফাঁকে ভিডিও কলে কথা: কর্মজীবীদের সপ্তাহের ছয় দিন ৯-৫টা অফিস তো করতেই হয়। কেউ কেউ হয়তো সপ্তাহে দুই দিন ছুটি পেলেও সন্তানদের দেখভালের জন্য সেটাও যথেষ্ট নয়। এ জন্য অফিসকালীন খানিকটা অবসর খুঁজে বের করতে হবে আপনাকেই। হতে পারে লাঞ্চের পর ১০ মিনিট বা আপনার কোনো সুবিধাজনক সময়ে সন্তানকে ভিডিও কল করলেন। সেই সময়ে দুজন গল্প করুন।

আরো পোস্ট- ডায়াবেটিস হলে ভাত খাওয়া বন্ধ করবেন…

২. ছুটির দিন শুধু সন্তানের জন্যে: আপনার ছুটির দিনটিতে অন্য কাজ রাখবেন না। স্বামীর সঙ্গে আপনিও বাড়ির সব কাজ শেষ করে সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সময় কাটান। বিকেলে একটু কাছেই ঘুরতে যান বা ফ্রাটের ডিনারটি করুন বাইরে। আবার বাড়িতেই নানাভাবে তাকে সৃজনশীল জিনিস শেখান। সন্তানের পড়াশোনা, বন্ধু, স্কুল ও সহপাঠীদের সম্পর্কে জানতে চান তার কাছে।

৩. আনতে পারেন অফিসেও: সন্তানকে মাঝেমধ্যে অফিসেও আনতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে অফিসের পরিবেশ ও সহকর্মীদের সুবিধা-অসুবিধার কথাটাও মাথায় রাখতে হবে আপনাকে। অফিসের বনভোজন, ফ্যামিলি ডে বা ক্রিসমাস পার্টিতে ওকে নিয়ে যেতেই পারেন।

৪. অফিস থেকে ফিরে সময়: অফিস থেকে এসে সন্তানের সঙ্গে গল্প করুন। তার জন্যে তার পছন্দের কিছু রান্না করুন বা কিনেও আনতে পারেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।