বাস্তু কী ?  এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন:

নির্মাণ শিল্পের বিজ্ঞানকেই বাস্তু বলা যেতে পারে। বা বলা যেতে পারে নির্মাণ শিল্পে বিভিন্ন বস্তুর সমন্বয়ে যে শক্তির সৃষ্টি হয়, তাই হল বাস্তু। বাড়ি বা অফিসে কোন জিনিস কীভাবে রাখা হবে বা কোথায় রাখা হবে, তার উপর নির্ভর করে ভালো ও খারাপ শক্তি নির্গত হয়। বাস্তুশাস্ত্র এমন এক শিল্প, যার মাধ্যমে এই ভালো ও খারাপ শক্তির মধ্যে সমতা রক্ষা করা যায়।

জ্যোতিষশাস্ত্রে বলা হয়, জমি বা ভূখণ্ড বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বাস্তুশাস্ত্রের নির্দেশ মেনে চললে বাস্তুদোষ কাটানো সম্ভব। এই বাস্তুশাস্ত্র মূলত আটটি দিকের উপর ভিত্তি করে নির্মিত। বাস্তুশাস্ত্রে সূর্যকে কেন্দ্র করে, আট দিকের উপর সৌর শক্তির প্রভাব অনুযায়ী গৃহ নির্মাণের বিধান দেওয়া আছে। এই আটটি দিক বিশ্লেষণ করেই ঠাকুরঘর, শোওয়ার ঘর, স্নানের ঘর ইত্যাদি নির্মাণের বিধান দেওয়া হয়েছে। এ বার বাস্তুশাস্ত্র মতে এই আটটি দিকের গুরুত্ব অপরিসীম।

একটি ইমারতে মোটামুটি পাঁচটি মূল বিষয় থাকে। – জায়গা, বাতাস, জল, আগুন এবং মাটি। এই পাঁচটির মধ্যে সমন্বয় রক্ষা হলে সেখানকার বাসিন্দাদের মধ্যে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুস্বাস্থ্য বজায় থাকবে।

বাস্তুশাস্ত্র মতে আটটি দিকের গুরুত্ব:

১.উত্তর দিকের অধিদেবতা হল কুবের সোম অথবা চন্দ্র। উত্তর দিক মিত্র স্থান নির্দেশ করে৷ সেই কারণে বাস্তু ভূমির উত্তর দিক আবদ্ধ রাখা উচিত নয়৷ এই দিকে কিছুটা খালি জায়গা ছাড়তে পারলে মাতুল বংশের মঙ্গল হয়।

২. এই দিকের অধিষ্ঠাত্রী দেবতা হলেন যম৷ বাস্তুশাস্ত্র মতে, দক্ষিণ দিক হল ধন-সম্পত্তি, সমৃদ্ধি, সৌভাগ্য ও শান্তির দিক। জীবনে সুখ শান্তি ও প্রফুল্লতা বিকাশে সহায়ক হয়৷

৩.পূর্ব দিকের অধিদেবতা হলেন ইন্দ্র ও সূর্য৷ বাস্তু মতে, পূর্ব দিক বংশের কল্যাণের দিক বলে বিবেচিত হয়। তাই বাস্তুশাস্ত্রের নির্দেশ অনুযায়ী, গৃহ নির্মাণের সময় পূর্ব দিকের কিছু জায়গা খোলা ছাড়তে পারলে গৃহস্বামীর আয়ু বৃদ্ধি হয়।

৪. পশ্চিম দিকের অধিষ্ঠাত্রী দেবতা বরুণ৷ শাস্ত্র মতে, পশ্চিম দিক হল সাফল্য, যশ, ঐশ্বর্য ও খ্যাতির দিক।

৫. ঈশান কোণের অধিদেবতা শিব। ঈশান কোণ বংশ বৃদ্ধিতে স্থায়িত্ব প্রদান করে। এই কোনে কোনও রকমের ত্রুটি বংশ বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

৬. নৈঋত কোণ সুবিচারের জন্ম দেয়। এ ছাড়াও, নৈঋত কোণ সুসম্পর্ক গঠনে সহায়ক।

৭. অগ্নি কোণ স্বাস্থ্যোন্নতিতে বিশেষ ভাবে সহায়ক। এই কোণ ত্রুটিপূর্ণ হলে সংসারে অশান্তির সৃষ্টি হয়।

৮. বায়ু কোণ গৃহস্বামীর লোকসম্বন্ধ প্রদান করে৷ বায়ুকোণের শুভ প্রভাবে মিত্র লাভ হয়৷ অশুভ প্রভাবে শত্রুবৃদ্ধি ও বিভিন্ন হানির সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।