কলকাতা: বিজেপি নেতাকে নোটিশ পাঠাল গিরিশ পার্ক থানার পুলিশ। সম্প্রতি টুইটে একটি বিষয় ভিডিও-সহ আপলোড করেন বিজেপির এই নেতা। পুলিশের দাবি, অনুপমের আপলোড করা ওই সংবাদ ও ভিডিওটি ভুয়ো। অনুপম হাজরার ওই পোস্টটি জনমানসে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা পুলিশের। সেই কারণেই নোটিশটি পাওয়ার ৫ দিনের মধ্যেই গিরিশ পার্ক থানায় গিয়ে পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অনুপম হাজরাকে।

যদিও পুলিশের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে পাল্টা দাবি করেছেন বিজেপি নেতা। সম্প্রতি টুইটারে একটি বিষয়ে কিছু কথা ও সঙ্গে একটি ভিডিও আপলোড করেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। পুলিশের দাবি, বিজেপি নেতার আপলোড করা ওই কথা ও ভিডিও অন্যকে প্রভাবিত করতে পারে। এমনকী অনুপমের পোস্টটি ঘিরে সমাজে শান্তি বিঘ্নিত হওয়ারও আশঙ্কা পুলিশের।

পুলিশের আরও দাবি, সোশাল মিডিয়ায় ওই ভুয়ো পোস্টটি ঘিরে কারও ধর্মীয় ভাবাবেগেও আঘাত লাগতে পারে। এই কারণেই অনুপম হাজরাকে নোটিশ পাঠিয়ে তলব করেছে গিরিশ পার্ক থানা। ২৬ মে অনুপম হাজরাকে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে। নোটিশটি পাওয়ার ৫ দিনের মধ্যেই অনুপম হাজরাকে সশরীরে গিরিশ পার্ক থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নোটিশে পুলিশ জানিয়েছে, অনুপম হাজরাকে তাঁর সোশাল মিডিয়ায় করা ওই পোস্ট সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তবে পুলিশি এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করেন বিজেপি নেতা অনুপম।

তাঁর দাবি, রাজ্যের শাসকদলের ‘দুর্নীতি’ নিয়ে একাধিকবার সরব হওয়াতেই তাঁকে হেনস্তা করতে পুলিশের এই পদক্ষেপ। তৃণমূলের চাপেই পুলিশ তাঁকে নোটিশ পাঠিয়েছে বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। পুলিশি এই পদক্ষেপ সম্পর্কে অনুপম বলেন, ‘বুঝতে পারছি না ঠিক। করোনার সময় শাসকদলের এত কুকীর্তি ভাইরাল করা ও সময়-সময় শাসকদলের চাল চুরি, রেশন চুরি সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরা – এটাই হয়তো কারণ।’

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প