প্রতীকি ছবি

পাটনা: একের পর এক ভয়ঙ্কর তথ্য উঠে আসছে বিহারের সরকারি হোমের তদন্তে। সিবিআই তাদের ৭৩ পাতার চার্জশিট প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, অশ্লীল নাচে বাধ্য করা হয়েছিল হোমের আবাসিকদের। অতিথিরা এসে ধর্ষণ করা হয়েছে বলেও তদন্তে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা।

বিহারের মুজফফরপুরের এই হোমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে একাধিক প্রভাবশালী। রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্রজেশ ঠাকুরই এই মামলায় মূল অভিযুক্ত।

পকসো আদালতের অতিরিক্ত জেলা বিচারক আর পি তিওয়ারির এজলাসে পেশ করা ৭৩ পাতার ওই চার্জশিটের প্রায় উঠে এসেছে কিশোরীদের উপর যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের বিস্ফোরক সব তথ্য। চার্জশিটে সিবিআই জানিয়েছে, ‘অতিথি’ এলেই কার্যত ‘জলসা’ বসে যেত ওই হোমে। হোমের কিশোরীদের খোলামেলা পোশাকে অতিথিদের সামনে নাচতে বাধ্য করা হত। উত্তেজক ভোজপুরি গান চালিয়ে তার সঙ্গে নাচতে বলা হত। এরপর ওই কিশোরীদের উপর চলত যৌন নির্যাতন-ধর্ষণ।

চার্জশিটে সিবিআই আরও জানিয়েছে, কেউ রাজি না হলে বা প্রতিবাদ করলেই পেটানো হত। ‘‘প্রতিবাদীদের রাতে খাবার দেওয়া হত শুধু রুটি আর নুন। আর যারা রাজি হত, তাদের মিলত ভাল খাবার।’’ দশ বছরেরও বেশি সময় ধরে চারতলা ওই হোমটি চলছিল। সিবিআই-এর আশঙ্কা, ওই দীর্ঘ সময় ধরেই এই যৌন নির্যাতন চলত।

গত বছর এই মুজফ্‌ফরপুরের হোমের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। সরকারি ওই হোমে কিশোরীদের উপর যৌন নির্যাতন চলছে বলে অভিযোগ ওঠে। মেডিক্যাল পরীক্ষায় ধরা পড়ে ৪২জন কিশোরীর মধ্যে ৩৪ জনের উপরই যৌন নির্যাতন চালানো হয়েছে।

তদন্তে নেমে ব্রজেশকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আবাসিক কিশোরীদের অন্যত্র সরিয়ে সিল করে দেওয়া হয় ওই হোমটি। পরে ভেঙেও ফেলা হয়। পরে তদন্তভার হাতে নেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও