ভুবনেশ্বর: ছুটি কাটিয়ে হোস্টেলে ফিরতেই দেখা গেল ছাত্রীর শরীরের মধ্যেই রয়েছেন অন্য একজনের শরীর। অর্থাৎ সেই ছাত্রী গর্ভবতী। সরকারি হোস্টেলের আবাসিকের এই কীর্তি নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

ঘটনাটি ওডিশা রাজ্যের। ওই রাজ্যের তফসিলি জাতি এবং উপজাতি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি হোস্টেল পরিচালনা করা হয়। সেই হোস্টেলেই থাকতো ওই পড়ুয়া কিশোরী। হোস্টেলের চিকিৎসকের নিয়মমাফিক শারীরিক পরীক্ষায় ধরা পড়েছে তার গর্ভাবস্থার কথা।

আরও পড়ুন- নিম্নচাপের ধোঁকায় বৃষ্টি কমছে, শুরু ঘেমে নেয়ে একসা হওয়ার দিন

এই বিষয়ে স্থানীয় পুলিশের ডেপুটি কমিশনার অনুপ সাহু জানিয়েছেন যে জেলা ওয়েলফেয়ার অফিসারের কাছ থেকে একটি রিপোর্ট পুলিশের কাছে জমা পড়েছে। সেখানে লেখা হয়েছে যে সরকারি হোস্টেলের এক আবাসিক ছাত্রী গরমের ছুটিতে বাড়ি গিয়েছিল। সেখান থেকে ফেরার পরে দেখা গিয়েছে যে মেয়েটি গর্ভবতী।

সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাতকারে এই বিষয়টি জানিয়েছেন ডেপুটি কমিশনার অনুপ সাহু। তিনি বলেছেন, “এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে হোস্টেলের গরমের ছুটি শুরু হয়েছিল। দির্ঘদিন ছুটি কাটিয়ে গত শনিবার মেয়েটি হোস্টেলে ফেরে। প্রথা মেনেই তার শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। সেই সময়েই দেখা গিয়েছে যে মেয়েটি গর্ভবতী। আমাদের কাচভহে এমনই রিপোর্ট এসেছে।”

আরও প্রুন- তেল ভরতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পেট্রোল পাম্পেই ধাক্কা বেসরকারি বাসের

বিয়ে হওয়া তো অনেক দূরের কথা এখনও মেয়েটির ১৮ বছর হয়েছে কিনা সেই বিষয়ে সন্দিহান পুলিশ। এরই মাঝে যৌনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আরও বড় বিষয় হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণ যৌনতা। সতর্কতা ছাড়া যৌন মিলন যে সামাজিক সচেতনতার ক্ষেত্রেও একটা বড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। তবে পুলিশের ডেপুটি কমিশনার অনুপ সাহু বলেছেন, “পুলিশ সমগ্র বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.