কলকাতা ২৪x৭: বাঙালির পশ্চিম ভ্রমণ-জল হাওয়ায় রোগজীর্ণ শরীর সারানোর স্থানটি এখন অনেকটাই তার সেই তকমা হারিয়েছে। গিরিডি। নামেই তার বিশেষ পরিচিতি। তবে আরও একটি কারণে এই স্থানের মাহাত্ম। সংবিধানের প্রথম সংকলন আঁকড়ে রেখেছে ঝাড়খণ্ডের সবুজ-টিলার জনপদ।

বিহার ভেঙে ঝাড়খণ্ড তৈরি হয় ২০০০ সালে। আর এই কুড়ি বছরে পা রেখে সাবালক ঝাড়খণ্ড ভারতীয় গণতন্ত্রের মূল বইটির মালিক।আগে এটি বিহারের অধীনে ছিল।

গণতন্ত্রে বারে বারে বিধায়ক-সাংসদদের হস্তগত করা মানে ঘোড়া কেনা-বেচায় শিহরিত। এরই মাঝে মুখ টিপে হাসছে সংবিধান গ্রন্থটি। তাও আবার গিরিডির মতো স্থানে। যেখানে মাওবাদী হামলায় বহুবার রক্তাক্ত হয়েছে গণতন্ত্রের ভোট প্রক্রিয়া।

ধর্ম নিরপেক্ষ প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের স্বীকৃতি রয়েছে এই সংবিধান পুস্তকে। ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর সংবিধান তৈরি হয়। চমকপ্রদ ঘটনা। সেই প্রথম সংবিধান পুস্তক রক্ষিত আছে গিরিডি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে। যত্ন করেই বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের মূল সূত্রাবলী রক্ষা করছেন গ্রন্থাগার কর্তৃপক্ষ।

গিরিডি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের তরফে বলা হয়েছে। সংবিধানের আসল কপি কলকাতায় রাজা রামমোহন ফাউন্ডেশনকে একবার দেওয়া হয়েছিল গবেষণার জন্য । এতে প্রথম রাষ্ট্রপতি ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ ও ড. আম্বেদকরের সই রয়েছে। অনেকেই আসেন এই বই দেখতে। ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গর্ব এটি। কৌতূহলের কেন্দ্রে রয়েছে প্রথম সংবিধান পুস্তক।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।