কলকাতা : ভি-র গিগানেট আরো একবার সারা ভারতের দ্রুততম ৪জি নেটওয়ার্ক হওয়ার স্বীকৃতি পেয়েছে। এমনটাই দাবী সংস্থার।

টানা তিনটে কোয়ার্টারে ফিক্সড ব্রডব্যান্ড আর মোবাইল টেস্টিং অ্যাপ্লিকেশনস, ডেটা এবং অ্যানালিসিসকারী সংস্থা উকলা এই স্বীকৃতি দিয়েছে ভি-কে। সংস্থা জানিয়েছে, ‘জানুয়ারি থেকে এই মার্চ কোয়ার্টারে ভি অন্য সব অপারেটরের তুলনায় দ্রুততর ৪জি স্পিড দিয়েছে। ফলে সারা ভারতে টানা তিনটে কোয়ার্টারে ধারাবাহিকভাবে দ্রুততম ৪জি স্পিড দিতে পারা একমাত্র অপারেটর হয়ে দাঁড়াল ভি।’

সংস্থা জানিয়েছে, ‘ভি-র গিগানেট গ্যাংটক, শিলিগুড়ি, হাওড়া, নিউটাউন, দুর্গাপুর, দার্জিলিং, আসানসোল, বর্ধমান, হলদিয়া, ব্যারাকপুরে, বহরমপুর, মালদা, মেদিনীপুর, খড়গপুর, কোচবিহার, কান্দির মত প্রধান শহরগুলোতে গড় ডাউনলোড স্পিডের দিক থেকে স্পিড চার্টের শীর্ষে পৌঁছেছে। দ্রুততম ৪জি নেটওয়ার্কের স্বীকৃতি দেয় উকলা। এর ভিত্তি হল কিউ৩ ২০২০-কিউ১ ২০২১ সংগৃহীত ভারতে এবং কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলে বা শহরে গড় ৪জি ডাউনলোড স্পিডের স্পিডটেস্ট ইন্টেলিজেন্স ডেটা।’

ভি দাবী করেছে, ‘ভারতের ১৬টি রাজ্যে দ্রুততম ৪জি ডাউনলোড স্পিড দেয়। রাজ্যগুলির নাম মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি, কেরালা, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, ওড়িশা, ঝাড়খন্ড, সিকিম, আসাম, মণিপুর, ত্রিপুরা, মিজোরাম আর নাগাল্যান্ড। মুম্বই, দিল্লি এন সি আর এবং কলকাতা সহ ১৩৫টা ভারতীয় শহরে ভি-র ৪জি-র গড় ডাউনলোড স্পিড দ্রুততম।’

এই পারফরম্যান্স সম্বন্ধে বলতে গিয়ে রবীন্দর টক্কর, এম ডি এবং সি ই ও, ভোডাফোন আইডিয়া লিমিটেড বলেন “২০২০-২১-এর বেশিরভাগটা জুড়ে ভি ধারাবাহিকভাবে দ্রুততম ৪জি নেটওয়ার্কের স্বীকৃতি পেয়েছে দেখে আমি দারুণ তৃপ্ত হয়েছি, কারণ এই সময় মানুষ এবং ব্যবসা বাণিজ্য টেলিকম যোগাযোগের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল ছিল। এ বছর যখন ডেটা ব্যবহার বহুগুণ বেড়ে গিয়ে টেলিকম নেটওয়ার্কগুলোকে প্রচণ্ড চাপে ফেলেছিল, আমরা আমাদের নেটওয়ার্কের ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছি এবং আমাদের নেটওয়ার্ক ওয়ারিয়ররা লকডাউনের চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে এবং সামাজিক দূরত্বের প্রোটোকল মেনে নিশ্চিত করেছেন যে ভি গ্রাহকরা সেরা নেটওয়ার্ক অভিজ্ঞতা পাবেন, যা তাঁদের এগিয়ে থাকতে এবং উন্নতি করতে সাহায্য করবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.