মস্কো: রাশিয়ার উত্তরাংশের একদম শেষবিন্দুতে এক দৈত্যাকৃতি বিশাল গহ্বরের খোঁজ মিলেছে। কী কারণে এই গহ্বর তৈরি হয়েছে তা নিয়ে ধোঁয়াশায় গবেষকরা। রাশিয়ার বভেনস্কিকে প্রাকৃতিক গ্যাসের খনির কাছ এই দৈত্যাকৃতির গহ্বরের দেখা মিলেছে। স্থানীয় টিভি চ্যানেলে এই গহ্বরকে ‘পৃথিবীর ধ্বংসের সূচনা’ বলে চিহ্নিত করেছেন।

অনেকে এও মনে করছেন, মাটির নিচে কোনও বিস্ফোরণে জন্যও এরকম গহ্বর তৈরি হতে পারে। অত্যুৎসাহীদের দাবি, কোনও উল্কাপিণ্ডের পতনের ফলে সৃষ্টি হয়েছে এই বিশাল গহ্বরের। যদিও বিজ্ঞানীরা এই জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন।

ক্যামেরায় তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, গহ্বরটির ব্যাসার্ধ প্রায় ১০০ মিটার। বৃহস্পতিবার এই গহ্বর থেকে নমুনা সংগ্রহে দুই সদস্যের বিশেষ দল পাঠাচ্ছে সাইবেরিয়ার ‘স্টাডি অফ দ্য আর্কটিক’। পাশাপাশি রাশিয়া অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেরও এক বিজ্ঞানীও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।