ফাইল ছবি৷

নয়াদিল্লি: লোকসভা ভোটে বিজেপির দারুণ ফলাফলের জন্য বিরোধীদের কেউ কেউ নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন৷ এতদিন সব অভিযোগ শুনে গেলেও এবার মুখ খুলল কমিশন৷ শনিবার বিবৃতি দিয়ে কমিশন জানায়, যারা ইভিএমে ভোট দিয়েছেন তারা মানুষ৷ ভূতে এসে ভোট দিয়ে যায়নি৷

ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকে তা বিশ্লেষণ করে বেশ কিছু জায়গায় অসঙ্গতি খুঁজে পাওয়া গিয়েছে৷ যেমন, প্রদত্ত ভোট আর গণনা করার পর মোট ভোটের মধ্যে হেরফের পরিলক্ষিত হয়েছে৷ এমনটাই অভিযোগে উঠে আসে৷ অর্থাৎ যদি কোথাও একহাজার ভোট পড়ে থাকে তাহলে গণনার সময় হাজারের বেশি ভোট পড়েছে বলে দেখা যায়৷ তখনই প্রক্সি ভোট বা রিগিংয়ের অভিযোগ উঠে আসতে শুরু করে৷

যদিও কমিশন এই অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়েছে৷ জানিয়েছে, ওয়েবসাইটের তথ্য আপডেট না করার ফলে এমন বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে৷ বিভিন্ন মিডিয়া কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে প্রদত্ত ভোটের হার ও গণনার পর মোট ভোটের হার নিয়ে কাটাছেঁড়া করেছে৷ যেহেতু ওয়েবসাইটের তথ্য আপডেটেড নয় তাই এমন অসঙ্গতি ধরা পড়েছে৷ অর্থাৎ যেটাকে ফাইনাল ভোটার টার্নআউট হিসাবে ধরা হচ্ছিল, কমিশনের মতে সেটা একেবারে প্রাথমিক টার্নআউট৷ যেহেতু সেই তথ্য ফাইনাল নয় তাই ইভিএমে ভোট গণনার পর দুটি তথ্যের মধ্যে গরমিল ধরা পড়াটা স্বাভাবিক৷ কমিশন জানিয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি প্রকৃত ভোটের হার কত তা জানানো হবে৷

কেন তথ্য আপডেট করে ওয়েবসাইটে দেওয়া গেল না? কমিশনের ব্যাখ্যা, আগে রিটার্নিং অফিসারদের কাছ থেকে প্রকৃত ইলেকশন ডাটা পেতে মাসের পর মাস লেগে যেত৷ এমনকী ২০১৪ লোকসভা ভোটেও ফল ঘোষণার দুই থেকে তিন মাস পর সেই তথ্য কমিশনের আধিকারিকদের হাতে আসে৷ তবে এবার উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ফল ঘোষণার কয়েকদিনের মধ্যে সেই সব তথ্য কমিশনের কাছে চলে আসার কথা৷ এরপরই সেই তথ্য ওয়েবসাইটে দিয়ে দেওয়া হবে৷